আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ছাত্রলীগ। গত কদিন ধরেই বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় ছাত্রলীগ আবার সংবাদের শিরোনাম হচ্ছে।
খুন, চাঁদাবাজি, হামলাসহ নানা ঘটনায় আলোচনায় এসেছে ছাত্রলীগ।এখন প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে- আসলে কি কেউ নিয়ন্ত্রণ করছেন না ছাত্রলীগকে, নাকি তারাই কারো নিয়ন্ত্রণ মানছে না?
ঘটনার বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেও তা দৃশ্যমান হয়নি।নেতাকর্মীরা এভাবে ধারাবাহিক অপকর্ম করে চললেও ছাত্রলীগের হাইকমান্ড থেকে কার্যকর স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।বহিষ্কার কিংবা সতর্ক করে দিয়ে দায় সারছেন তারা।
হাজি দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরের হাজি মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হন।
তারা হলেন- এম এস মিল্টন ও জাকারিয়া। ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে এ সংঘর্ষ হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক জেমী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে ভেটেরিনারি অনুষদের একটি অনুষ্ঠান চলাকালে ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত কয়েকজন আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়।
“হামলাকারীরা নুর হোসেন ছাত্রাবাসে ঢুকে তা নিজেদের দখলে নেয়। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।”
ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ইফতেখারুল ইসলাম রিয়েলের নেতৃত্বে এই হামলা হয় বলে জেমীর অভিযোগ।
অন্যদিকে রিয়েল বলেন, “জেমীর নেতৃত্বে বহিরাগত কয়েকজন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে নুর হোসেন হলে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মিল্টন ও জাকারিয়া নিহত হয়।”
কুমিল্লা:
১১ এপ্রিল কুমিল্লায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের ঘন্টা ব্যাপি গুলি ও হাতবোমা বিনিময়ে নগরীর প্রানকেন্দ্র কান্দিরপাড় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। উভয় পক্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়। সমাবেশ শেষ বাড়ি ফেরার পথে শহরের নজরুল এভিনিউর টাউন ফার্মেসি নামে একটি দোকানে ঢুকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন ছুরিকাঘাতে আহত কুমিল্লা শহর ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম।
সাইফুল ফার্মেসীতে ঢুকে কলাপসিবল গেইট লাগিয়ে দেন।কিন্তু দোকানের সার্টার বন্ধ না করায় তাকে দেখতে পেয়ে ৪/৫ জন তরুন কলাপসিবলের গেইটের তালা ভেঙ্গে তাকে বের করে আনে। পওে সুরভী ম্যানশনের সামনে একটি চশমা দোকানের কাছে তাকে উপর্যুপরী ছুরিকাঘাত করে। একদিন পর তার মৃত্যু হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়:
ছাত্রীদের ইভটিজিং করায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাজমুলকে গণধোলাই দেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশাখী অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর চানখারপুল এলাকায় জবির উত্তরণ ও অনির্বাণ বাসে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে,বৈশাখী অনুষ্ঠান শেষে জবি ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরণ বাসে ওঠে। এদের মধ্যে নাজমুল ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন বাসের ছাত্রীদের উত্যক্ত করতে থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের বাস থেকে নামিয়ে দেয়। এসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারধরের হুমকি দিলে নাজমুলসহ অন্য ছাত্রলীগ কর্মীরা গণধোলাইয়ের শিকার হন।
ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার দায়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাজমুলকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়:
১৬ এপ্রিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শহীদ সালাম বরকত হলের ৫ ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ এনেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের এক ছাত্রী।
অভিযোগ পত্রে ছাত্রী লিখেছেন, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হলে ফেরার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌরঙ্গি মোড়ে ওই ছাত্রীকে ও তার বন্ধু নাহিদকে ৫ জন ছেলে দাঁড়াতে বলে এবং তাদের ভিতর থেকে একজন ব্যাগ নিয়ে দৌঁড় দেয়। পরে নাহিদকে সাথে নিয়ে ওই ছাত্রী তাদের পেছনে দৌঁড় দেয়। পরে লেকের পাশে কথা কাটাকাটি হয় ওই ৫ ছাত্রের সাথে।
এক পর্যায়ে নাহিদকে মারধর ও ওই মেয়েকে লাঞ্ছিত করে অভিযুক্ত ৫ ছাত্র। নাহিদ ইফতি নামের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৪৩ ব্যাচের ও শহীদ সালাম বরকত হলের একজনকে চিনতে পারে বলে লিখেছেন অভিযোগকারী। পরে আরো ৪জনকে সনাক্ত করতে পেরেছেন বলে জানান, ওই ছাত্রী।
তারা হলো- বিকাশ (প্রাণিবিদ্যা), অর্ণপ (রসায়ন), রাকিব (ভুগোল ওপরিবেশ), নুরন্নবী (নৃবিজ্ঞান)।
প্রত্যেকই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩ ব্যাচের ছাত্র এবং শহীদ সালাম বরকত হলের ছাত্রলীগকর্মী।
রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল:
১৫ এপ্রিল রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (রমেক) মুক্তা ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষের ঘটনায় দশ জন আহত হয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ছাত্রলীগের রফিক গ্রুপ ও ফেরদৌস গ্রুপ।
পরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক)।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:
১৪ এপ্রিল রাজশাহী বিশ্ব বদ্যালয়ে (রাবি) দেশীয় অস্ত্রসহ তরিকুল ইসলাম বাবু নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করে পুলিশ। ওই ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ আমীর আলী হলের সভাপতি প্রার্থী। পরে ছাত্রলীগ সভাপতির তদবিরে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়।
এর আগে চলচ্চিত্র প্রদর্শণীর টিকিট বিক্রয়কে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। ক্যাম্পাসের লালন চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খালিদ হোসন বিপ্লব বলেন, সামান্য ভুল বুঝাবুঝি নিয়ে ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে, হলের সিট দখলকে কেন্দ্র করে ২৮ মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছাত্রলীগের সভাপতি ও সহ-সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে-ই-বাংলা ফজলুল হক হলে এই ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়:
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে জামায়াতের নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসির সমালোচনা করে মন্তব্য করায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ১২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ কক্ষ থেকে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে বের করে ক্যাফেটেরিয়ার সামনে এনে অপদস্থ করা হয়।
লাঞ্ছনার শিকার ওই শিক্ষক সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম।
এমসি কলেজ:
বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সিলেটের এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয়েছে ২৩ জন।
মঞ্চের দখল ও নাম ঘোষণা নিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট রঞ্জিত সরকার সমর্থিত হিরণ মাহমুদ নিপু ও কাউন্সিলর আজাদুর রহমান সমর্থিত এমসি কলেজ ছাত্রলীগের সঞ্জয়-কামরুল গ্রুপের নেতাকর্মীদের মাঝে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষ শুরুর পর ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। লোকজন ছোটাছুটি শুরু করেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা আতঙ্কে কান্নাকাটি শুরু করেন। এ সময় ১৮-২০ জন দর্শনার্থী আহত হন।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে কুবি ছাত্রলীগ আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মাসুম ও কুবি ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ছাত্রলীগ সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় প্রায় ২০ রাউন্ড গুলি বর্ষণ করা হয়।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের আগমন ও শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠেয় কুবি ছাত্রলীগ সম্মেলনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ১১ এপ্রিল সকাল পৌনে ১০টার দিকে এ সংঘর্ষ হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের কর্মী বিল্লাল হোসেনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাওল হল সংলগ্ন মহিউদ্দিন কটেজে ২৪ মার্চ সোমবার রাত ১২টার দিকে ছাত্রলীগের কনকর্ড গ্রুপের কর্মীরা তাকে কুপিয়ে জখম করে।
বিল্লাল জানান, ছাত্রলীগের শাটল ট্রেনের বগি ভিত্তিক সংগঠন কনকর্ড এর ৫/৭ জন কর্মী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কটেজে ডুকে কটেজের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের কোন প্রকার চিৎকার করতে নিষেধ করেন। পরে তাকে (বিল্লাল) কুপিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়:
২০ মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে একজন বহিরাগতসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ছাত্রলীগকর্মীরা জানান, সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশীদের অনুসারী নবম ব্যাচের মিন্টু তার বান্ধবীকে নিয়ে কলাভবনের সামনে আড্ডা দিচ্ছিলেন।
এ সময় সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মী ষষ্ঠ ব্যাচের সজীব বহিরাগত (এআইইউবির শিক্ষার্থী) ইয়াসির আরাফাতকে নিয়ে মিন্টুকে ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে বলেন। মিন্টু চলে যেতে আপত্তি জানালে মিন্টু ও তার বান্ধবীকে লাঞ্ছিত করেন সজীব ও ইয়াসির আরাফাত।
পরে মিন্টু ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। কিছুক্ষণ পর মিন্টু বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বেরুনোর সময় সজীব বন্ধুবান্ধব নিয়ে মিন্টুকে মারধর করেন। পরে ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতারা বিষয়টি মধ্যস্থতা করতে যান।
মধ্যস্থতার একপর্যায়ে মিন্টু তার বন্ধুদের নিয়ে সজীবের বন্ধুদের মারধর করেন। এতে ইয়াসির আরাফাত মাথায় আঘাত পান।

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় যখন কিছুটা হলেও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসছিল, তখনই ছাত্রলীগের বেপরোয়া আচরণে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ নতুন করে বিঘ্নিত হল।বিগত মহাজোট সরকারের আমলে বিভিন্ন সময়ে সহিংস আচরণ, দখলবাজি, টেন্ডারবাজি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ইত্যাদি কারণে ছাত্রলীগ বারবার সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়েছে।তাদের আচরণে একপর্যায় স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
তিনি ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বেআইনি কর্মকাণ্ড ত্যাগ করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।তাদের সতর্কও করেছিলেন বারবার।এমনকি একপর্যায়ে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক প্রধানের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোরও ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু এরপরও ছাত্রলীগের তাণ্ডব বন্ধ হয়নি।তাই বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে- আওয়ামী লীগ কি তাদের নিজ সমর্থিত ছাত্র সংগঠনকে নিয়ন্ত্রণে অক্ষম?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বার বারই বলে আসছেন- ছাত্রলীগের সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শক্ত হাতে দমন করা না হলে এ প্রবণতা বন্ধ হবে না।বরং দিন দিন তারা দানবে পরিণত হবে।এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে দেশের উচ্চশিক্ষা কার্যক্রমে।
জেএ





