ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে সাতজন কয়েদি মুক্তি পাচ্ছেন। যে কয়েদিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে তারা লঘু অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত, অচল, অক্ষম ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত এবং তারা সকলেই অর্ধেকের বেশি সাজা ভোগ করেছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইন ও পরিকল্পনা) শওকত মোস্তফার সভাপতিত্বে তার অফিস কক্ষে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে তারা হলেন- দিনাজপুর কারাগার থেকে মো. ফরিদ (৩৪), ভোলা কারাগার থেকে মো. মনির হোসেন (২১), ফেনী কারাগার থেকে কামাল হোসেন (২৮), রাজশাহী কারাগার থেকে মো. এছাহাক আলী সরদার (৮১), ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আইয়ুব আলী (৪৯), টাঙ্গাইল কারাগার থেকে কাজুমদ্দিন ওরফে কাজু (৯৭) এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মো. জহিরুল ইসলাম (৪২)।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিভিন্ন কারাগারে আটক মুক্তিযোগ্য বন্দিদের তালিকা প্রেরণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সকল জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ২২টি জেলা থেকে সুপারিশ করা মুক্তিযোগ্য ৫৪ জন কয়েদির তালিকা পাওয়া যায়। এদের মধ্যে ৩৯ জন অর্ধেক সাজা ভোগকারী এবং ১৫ জন অচল-অক্ষম কয়েদি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাই কমিটি তালিকা অনুযায়ী, প্রত্যেক কয়েদির বয়স, শাস্তির ধারা, সাজার মেয়াদ, ভোগ করা দণ্ডের সময়কাল, অসুস্থতার ধরন, ডাক্তারি সনদসহ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সুপারিশ বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে। যাচাই-বাছাই শেষে ৫৪ জন সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের মধ্যে মুক্তিযোগ্য সাতজনকে বাছাই করা হয়। এদের মধ্যে অর্ধেক সাজা ভোগকারী পাঁচজন ও অচল-অক্ষম দু’জন।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার নেসার আলম বলেন, ‘প্রতি বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যাচাই-বাছাই করে কয়েদিদের মুক্তি দেওয়া হয়। এবারও কয়েকজন কয়েদিকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের কাছে এখনও নির্দেশ আসেনি।’
কেএ





