ট্রেন , বাস বা লঞ্চে যেকোন সময় যেকোন জায়গায় ভ্রমণে যে সকল সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যই জরুরি_________
১। ভ্রমণের সময় সাথে অবশ্যই প্যারাসিট্যামাল ও বমির ওষুধ, এছাড়া সাথে অন্যান্য প্রয়োজনীয় ঔষধ তো অবশ্যই নেবেন যেমনঃ ছোট একটি বাক্সে একটি অ্যান্টিসেপটিক সলিউশন (ডেটল, স্যাভলন বা অন্য কিছু), কিছু গজ, ব্যান্ডেজ ও একটি পাতলা কাপড়
নিন। সঙ্গে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ, ব্যথানাশক, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ ও স্যালাইন নিতে পারেন। যাদের শ্বাসকষ্ট তারা অবশ্যই ইনহেলার নেবেন।
২। ভ্রমণে বের হবার পূর্বে অতিরিক্ত খাবার খাবেন না। ভ্রমণের সময় পথে অপরিচিত জায়গা থেকে খাবার কিনে খাওয়ার আগে সতর্ক থাকবেন।
৩। জুতার ব্যপারে একটু ভালো জুতা পরবেন। যা আরামদায়ক হয়। এই ক্ষেত্রে কেডস পড়া যায়। আর মহিলাদের জন্যে বেশি উঁচু হিল না পড়ে একটু কম উঁচু হিল পরা অথবা হিল জুতা না পরে অন্য কিছু পরা ভালো।
৪। পোশাকের ক্ষেত্রে ছেলেরা টি-শার্ট পড়তে পারেন। আর মেয়েরা বেশি সোনা গহনা সাথে নিবেন না।
৫। সাথে দামী মোবাইল না রাখাই ভালো।
৬। আপনার ব্যাগ এর মধ্যে একটি কাগজ বা কার্ডে আপনার নাম ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার লিখে রাখবেন। কোনো কারণে যদি হারিয়ে যায় এবং সেটি যদি সৎ ব্যক্তির হাতে পড়ে তাহলে সহজে ফেরত পাবেন।
৭। সব টাকা মানিব্যাগে না রেখে কিছু টাকা অন্যত্র সরিয়ে রাখবেন। ল্যাপটপ কম্পিউটার না নিয়ে যাওয়াই ভালো যদি সাথে একটি স্মার্টফোন থাকে।
৮। ভালো পরিবহণে যাতায়াত করতে পারেন।
৯। আর যদি নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করেন তাহলে অবশ্যই সতর্কতার সাথে গাড়ি চালাবেন।
১০। সাতার না জানা লোক সাথে থাকলে তাকে পানি থেকে সতর্ক করে দেবেন। সমূদ্রসৈকতে গেলে তো অবশ্যই সতর্ক থাকবেন। যারা সাতার জানেন তারাও সতর্কতা অবলম্বন করবেন।
১১। ভ্রমণে বেড়াতে গেলে অবশ্যই ফোটানো পানি অথবা মিনারেল ওয়াটার পান করবেন। কারণ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গা গেলে পানির সমস্যাটা বেশি হয়।
১২। ভ্রমণে গেলে বেশি মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।
১৩। ভ্রমনে যাওয়ার আগে পরিচিত ডাক্তারের ফোন নাম্বার নিয়ে রাখবেন যাতে দরকার হলে পরামর্শ নিতে পারেন।
জেড





