মাছ ধরা, মাছের প্রতি ভালবাসা ছিল আব্দুল কাদের মোল্লার অন্যতম শখ।
২০১৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তার ফাসিঁ কার্যকর করা হয়।
তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইসলামিক রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও দৈনিক সংগ্রামের সাবেক নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালে ফরিদপুর-৪ আসন থেকে দুইবার সংসদ নির্বাচন করেন।
৫ ফ্রেব্রুয়ারি, ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কাদের মোল্লাকে মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধের দায়ে আনীত ছয়টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে দোষী সাব্যস্ত করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার স্বাধীনতাবিরোধী বাহিনী আল বদরের সদস্য মোল্লাকে ৩৪৪ জন নিরীহ ব্যক্তি হত্যাও অন্যান্য অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
এই রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ শুরু হয় শাহবাগ আন্দোলন।
আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রেখে ১৭ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (সংশোধন) বিল, ২০১৩ জাতীয় সংসদে পাস হয়।
৩রা মার্চ রাষ্ট্রপক্ষ তার সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করে এবং ৪ মার্চ কাদের মোল্লার পক্ষ থেকে রায়ের বিরুদ্ধে তাকে খালাস দেওয়ার জন্য আপিল করা হয়। ১লা এপ্রিল আপিলের শুনানি শুরু হয় এবং শুনানি শেষে ১৭ সেপ্টম্বর ২০১৩ সালে সর্বোচ্চ আদালত মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন করাদণ্ডের পরিবর্তে মৃত্যুদণ্ডাদেশের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, এটিই মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দণ্ডের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে করা আপিলের প্রথম রায়।
ইআর





