আসন্ন ২০১৫ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামবেন পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদি ও শ্রীলঙ্কা মাহেলা জয়াবর্ধনে। তবে সবচেয়ে বেশি বয়স্ক ও সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত দলে।

১৯৯৯ বিশ্বকাপে অভিষেক হয়ে আফ্রিদি ও জয়াবর্ধনের। এরপর প্রতিটি বিশ্বকাপেই অংশগ্রহণ করেছেন তারা। ২০১৫ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত প্রাথমিক দলেও রয়েছেন তারা।

২০০৭ ও ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছিলেন জয়াবর্ধনে। এছাড়া ২০০৩ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলেছেন এই লঙ্কান ক্রিকেটার।

এদিকে ১৯৯৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানের হয়ে খেলেছিল আফ্রিদি। আর ২০১১ বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। তার অধীনে সেমিফাইনালে খেলেছিল ১৯৯২ বিশ্বকাপ জয়ী দলটি।

আগামী ৮ জানুয়ারি চূড়ান্ত দল ঘোষণা হতে পারে। চূড়ান্ত দলে জায়গা পেলে ওয়াসিম আকরাম, শিভনারায়ন চন্দরপল, অরবিন্দ ডি সিলভা, ইনজামামুল হক, সনাৎ জয়সুরিয়া, জ্যাক ক্যালিস, ইমরান খান, ব্রায়ান লারা, মুত্তিয়া মুরালিধরন, থমাস উদুযু, রিকি পন্টিং, অর্জুনা রানাতুঙ্গে, স্টিভ টিকলুর পাশে নাম লেখাবেন আফ্রিদি ও জয়াবর্ধনে। তারা প্রত্যেকেই পাঁচটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন।

এদিকে পাকিস্তানের জাভেদ মিয়াঁদাদ ও ভারতের শচিন টেন্ডুলকার ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তারাই সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড গড়েছিলেন।

আর এটাই প্রথম আইসিসি বিশ্বকাপ যেটি জাভেদ মিয়াঁদাদ বা শচিন টেন্ডুলকার ছাড়া অনুষ্ঠিত হবে। ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত সবকটি বিশ্বকাপে খেলেছিলেন মিয়াঁদাদ। আর ১৯৯২ থেকে ২০১১ বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলেছিলেন টেন্ডুলকার।

১৯৭৯, ১৯৮৩, ১৯৮৭ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ও ১৯৯২ বিশ্বকাপের ফাইনালে ও ১৯৯৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছিলেন পাকিস্তানের জাভেদ। এদিকে ১৯৯৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল, ২০০৩ ও ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছিলেন শচিন।

এদিকে প্রথমবার ১৯৯৬ বিশ্বকাপে খেলার পর আবার বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আর এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ও কম বয়সী খেলোয়াড়কে নিয়ে দল সাজিয়েছে তারা। আমিরাতের খুররাম খান ৪৩ বছর বয়সী খেলোয়াড়। একই দলের যুধিন পুঞ্জা গত ২৪ এপ্রিল ১৫ বছরে পা দিয়েছে।

জেডআই