প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন হওয়ায় এর প্রতি জনগণের বাড়তি আগ্রহ ও কৌতূহল আছে ধারণা করি। নির্বাচন কমিশন (ইসি) কয়েক ধাপে এই নির্বাচনটি করার সিদ্ধান্ত নিলে সবাই স্বাগত জানিয়েছিল এই বিবেচনায় যে, সে ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সহজ হবে। কিন্তু সেই আশার গুড়ে বালি মিশিয়ে দিয়েছে ইসি নিজেই।


প্রথম পর্বের নির্বাচনে বিভিন্ন স্থানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় সময় পাইকারি বাধা, প্রার্থীদের আটক রাখা কিংবা মনোনয়নপত্র ছিনতাইয়ের যেসব ঘটনা ঘটেছে, তা নজিরবিহীন।আর মনোনয়নপত্র জমাদানে বধা দেওয়ার অভিযোগ কেবল বিরোধী দল বিএনপির কাছ থেকেই আসেনি; আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও ক্ষমতাসীন জোটের শরিক দলের প্রার্থীরাও একই কথা বলেছেন।


৭২০টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে অর্ধশতাধিকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না পাওয়া কেবল অস্বাভাবিক নয়, রহস্যজনকও বটে। যেকোনো নির্বাচনের একেবারে প্রথম ধাপ হলো মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া। সেখানেই যদি এ রকম অনিয়ম ও জবরদস্তির ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পরবর্তী ধাপগুলো কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা অনুমান করা কঠিন নয়।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসি তার দায়িত্ব অগ্রাহ্য করতে পারে না। মনোনয়নপত্র জমাদানে বাধার বিষয়টি নির্বাচনী অফিসের বাইরের ঘটনা বলেও দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সবকিছুর দায়িত্ব তাকে নিতে হবে। একজন সাবেক নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, কেউ মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন, এটি প্রমাণিত হলে ইসি নির্ধারিত তারিখের পরও তাঁর মনোনয়নপত্র জমা নিতে পারে।

আমরা আশা করব, নির্বাচন কমিশন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ও বাছাইয়ের ব্যাপারে আনীত অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখবে এবং কারও প্রতি অবিচার হয়ে থাকলে তার প্রতিকার করবে। এরপর বাকি ইউপি নির্বাচনে যাতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া নিয়ে কোনো অঘটন না ঘটে, সেই নিশ্চয়তাও তাকে দিতে হবে।
সবশেষে সাংবধানিক এই প্রতিষ্ঠানটির কর্তাব্যক্তিদের বলব, অনিয়ম ও অন্যায়ের মাত্রা আর বাড়াবেন না।

প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন হওয়ায় এর প্রতি জনগণের বাড়তি আগ্রহ ও কৌতূহল আছে ধারণা করি। নির্বাচন কমিশন (ইসি) কয়েক ধাপে এই নির্বাচনটি করার সিদ্ধান্ত নিলে সবাই স্বাগত জানিয়েছিল এই বিবেচনায় যে, সে ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সহজ হবে। কিন্তু সেই আশার গুড়ে বালি মিশিয়ে দিয়েছে ইসি নিজেই।

প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন হওয়ায় এর প্রতি জনগণের বাড়তি আগ্রহ ও কৌতূহল আছে ধারণা করি। নির্বাচন কমিশন (ইসি) কয়েক ধাপে এই নির্বাচনটি করার সিদ্ধান্ত নিলে সবাই স্বাগত জানিয়েছিল এই বিবেচনায় যে, সে ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সহজ হবে। কিন্তু সেই আশার গুড়ে বালি মিশিয়ে দিয়েছে ইসি নিজেই। সূত্র:প্রথমআলো।

 

আইআ