আর মাত্র একদিন পরেই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ। তাই নির্বাচনে বিজয়ী হতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। নিজের প্রার্থীকে বিজয়ী দেখতে রাতদিন পরিশ্রম করছেন সমর্থকরাও। তবে প্রচারণার নামে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক টাকা ছড়ানোর অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
এরইমধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সেলিম ওসমানের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম আকরাম এবং ওই আসনের কয়েক শতাধিক ভোটার। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে বিষয়টি এরিয়ে যেতে নিশ্চুপ রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, লিখিত অভিযোগে উল্লেখে করা হয়েছে, বিভিন্ন ক্লাব-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দান চলছে গোপনে ও প্রকাশ্যে। এমনকি ভোটারদের মন জয় করতে সেলিম ওসমানের কর্মীরা চাল-ডালসহ নিত্যপ্রযোজনীয় পন্য কিনে দিচ্ছে। এছাড়া ভোটারদের লুঙ্গি ও শাড়িসহ জামা-কাপড়ও কিনে দিচ্ছে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী সেলিম ওসমান ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে ভোটারদের নগদ টাকা দেয়ারও অভিযোগ এসেছে। আর যাদের টাকা দেয়া হচ্ছে তাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ডের (জাতীয় পরিচয়পত্র) ফটোকপি সংগ্রহ করে রাখছে। পাশাপাশি ভোটারদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলা হচ্ছে- ভোট না দিলে ভোটের পরে ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখে শাস্তি দেয়া হবে বলে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করা হলেও নির্বিকার নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সেলিম ওসমানের বাড়িতে কর্মী ভোজের আয়োজন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসব ভোজের জন্য গরু, খাসি জবাই করে খাওয়ানো হচ্ছে। এভাবে ভোট কেনাও হচ্ছে। এছাড়া কর্মীদের গোপনে মোবাইল সেটেও প্রতিদিন ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা খরচ দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে ।
এ বিষয়ে নারায়নগঞ্জ-৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মিহির সারোয়ার মোর্শেদ বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে এ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। এ বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে । এছাড়া এ বিষয়টি নিয়ে আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মোহাম্মদ আবু হাফিজ কোন মন্তব্য করতে চাননি।
ঢাকা, এএম, ২৪ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর





