যতই দিন যাচ্ছে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হচ্ছে বিরল প্রজাতির সব ফুল,পাখি ও প্রাণী। যদিও বিশ্বের বেশ কিছু জায়গায় এ মুহূর্তে তাদের বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনই কিছু দুর্লভ ফুলের কথা থাকছে আজকের আয়োজনে।

বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ফুল এটি, দুর্লভ ও সুন্দর এই ফুলটি পাওয়া যায় ইন্দোনেশিয়ায়। তবে এর গন্ধটা বিকট, উচ্চতা প্রায় তিন মিটার। তবে এক সপ্তাহ পরেই ফুলটি মরে যায়। আর একটি ফুলের দেখা পেতে অপেক্ষা করতে হয় অন্তত সাত-আট বছর। আমরফোফালুস টিটানুম ফুল উপরে

স্ট্রঙ্গিলোডোন ম্যাক্রোবোট্রিস

এটি আসলে হালকা সবুজ রঙের একটি লতা। এর ফুলগুলো ফিরোজা রঙের। তবে এই ফুলগুলোর বৈশিষ্ট্য হলো এগুলোর রং প্রতিদিন পরিবর্তন হয়। অর্থাৎ হালকা থেকে গাঢ় হতে থাকে। ফিলিপিন্সে পাওয়া যায় দুর্লভ এই ফুল।

কসমস অ্যাট্রোস্যাঙ্গুয়িনিউস

এই ফুলটি পাওয়া যায় মেক্সিকোতে। প্রায় ১০০ বছর আগে এটি বিলুপ্ত হয়েছিল। তখন, অর্থাৎ ১৯০২ সালে এর ক্লোন করা হয়। গ্রীষ্মকালে এই ফুল ফোটে৷ এর সুন্দর ঘ্রাণের জন্য একে ‘চকলেট কসমস’ নামেও ডাকা হয়।

হিবিসকাস কোকিও

এই ফুলটি কেবল হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে পাওয়া যায়। ১৯৫০ সালে এই ফুলটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। এর ২০ বছর পর হঠাৎ কোকিও-র একটি গাছের সন্ধান পাওয়া যায়। এর একটি ডাল বেঁচে ছিল, যেখান থেকে পরে কলম বরে ২৩টি চারা গাছ উৎপন্ন করা হয়।

এপিফিলুম অক্সিপেটালুম

বাংলাদেশে এই ফুলটি ‘নাইট কুইন’ বা রাতের রানী নামে পরিচিত। তবে শ্রীলঙ্কার জঙ্গলে এটা প্রচুর পাওয়া যায়। এই ফুলটি কেবল রাতের বেলায় ফোটে বলে এর নাম রাখা হয়েছে রাতের রানী। রাত পেরোলেই ফুলটি আর তাজা থাকে না।

ডেনড্রোফিলিয়াক্স লিনডেনি

কিউবা আর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় পাওয়া যায় এই ফুল। সাধারণত বন-জঙ্গলেই বেশি ফোটে এগুলো। ২০ বছর আগে একে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।

সেইপ্রিপেডিয়াম কালকাল্স

এটি একটি জঙ্গলি অর্কিড। আগে ইউরোপে এই ফুল প্রায় সব জায়গা্য় দেখা যেত। কিন্তু এখন কেবল ব্রিটেনে এই ফুলের দেখা মেলে। এই ফুল এখন এতই দুর্লভ যে একটি স্টিকের দাম প্রায় পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার। সূত্র: ইন্টারনেট

এমএ