পুরো ম্যাচে জার্মানির পোস্টে গ্রিসের একটাই শট, একটা থেকেই গোল। ৯০ মিনিট ধরে বল দখল থেকে শুরু করে গোলপোস্টে শট নেওয়া, সফল পাসে আধিপত্য বিস্তার করেও জার্মানরা গ্রিকদের কাছে হার দেখল। চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ১-০ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল গ্রিস। ১৯৬০ সাল থেকে শুরু হওয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১১তম ম্যাচে প্রথমবার জার্মানদের হারাল গ্রিকরা।
ইয়ুর্গেন ক্লপের ঘরে ফেরা হলো হার দিয়ে। জার্মানির দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ট্যাকটিশিয়ান প্রথম দুই ম্যাচেই জয়বঞ্চিত। আগের ম্যাচে নেদারল্যান্ডস পিছিয়ে পড়েও তাদেরকে ১-১ গোলের ড্রয়ে রুখে দিয়েছিল। অগসবুর্গে ফিরে আরও বাজে ফলাফল দেখল তারা, হারল ১-০ গোলে।
নেশনস লিগে দুটি ম্যাচই জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ এ-২ এর শীর্ষে গ্রিস। জার্মানি ১ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে। নেদারল্যান্ডস সমান ম্যাচ খেলে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। তারা সার্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে।
ক্লপ এদিন পাঁচটি পরিবর্তন আনেন শুরুর একাদশে। দলও দাপট ধরে রাখে। বলের দখল ছিল ৭৫ শতাংশ। কিন্তু গ্রিকদের গোছানো রক্ষণভাগে চিড় ধরাতে পারেনি তারা। দূর থেকে তারা গোলের জন্য ১৬টি শট নিয়েছিল।
ডাচদের বিপক্ষে অভিষেক হওয়া বাম্বেস কোন্তের বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। কারিম আদেয়েমি দুই অর্ধে সুযোগ তৈরি করেছিলেন। প্রথমে তার শট লিভারপুল ডিফেন্ডার কোস্তাস সিমিকাসকে কাটিয়ে গোলবারের ওপর দিয়ে যায়। এরপর গ্রিক গোলকিপার কোন্সতান্তিনোস জোলাকিস তার প্রচেষ্টা রুখে দেন। বিরতির ঠিক আগে তিনি কিমিখের একটি শট দারুণভাবে সেভ করেন। তার ফ্রি কিক উপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান।
ভেঙ্গেলিস পাভলিদিস দ্বিতীয়ার্ধে জার্মান কিপারকে একা পেয়েও গোলবারের পাশ দিয়ে বল মারেন। ওই শটে গ্রিস যেন জার্মানিকে অশনি সংকেত দিয়েছিল। তারপরই ম্যাচ শেষ হওয়ার ১৬ মিনিট আগে অপ্রত্যাশিত গোল করে তারা।
ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় ক্লপ শেষ ১৫ মিনিটে সার্জ গিন্যাব্রি, অ্যান্তন স্টাখ ও হেনেস বেহরেনসকে বদলি নামান। কিন্তু ভাগ্য ফেরেনি। বরং ফোর্তিস ইওনিদিস স্কোর প্রায় ২-০ করতে বসেছিলেন। কিন্তু তার শট বাঁ পাশের পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। যোগ করা সময়ে জার্মানি কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
এমএম











