বাংলাদেশের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে 'নো' বলের মহিমায় প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান আযহার আলী ও ইউনুস খান। সেই সুযোগে জোড়া সেঞ্চুরি করে দিনটি নিজেদের করে নিয়েছেন তারা।

বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ৯০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩২৩ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান।

সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে টস জিতে বাংলাদেশ। ভাগ্য দেবতা এতটুকুই সহায় ছিল স্বাগতিকদের।

ম্যাচের প্রথম বলটি করতে গিয়ে চোট পান পেসার শাহাদাত হোসেন। কোনোমতে দ্বিতীয় বলটি করলেও এরপর আর মাঠে থাকতে পারেননি এই পেসার। তার ওভারটি শেষ করেন সৌম্য সরকার।

শেষ পর্যন্ত স্ট্রেচারে করে মাঠ থেকে বের হতে হয় চোটাক্রান্ত পেসার রুবেল হোসাইনের জায়গায় দলে সুযোগ পাওয়া শাহাদাতকে।

চতুর্থ ওভারেই আঘাত হানেন মোহাম্মদ শহীদ। তার দারুণ একটি বলে মুশফিকুর রহিমকে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান মোহাম্মদ হাফিজ (৮)।

১২তম ওভারে শহীদের বলে স্লিপে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দিয়েছিলেন আজাহার আলী। তবে আম্পায়ার তাকে অপেক্ষা করতে বলে 'নো' বল কিনা দেখতে তৃতীয় আম্পায়ারের সাহায্য নেন। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় একটুর জন্য শহীদের পা ঠিক জায়গায় পড়েনি। ফলে আম্পায়ার বলটি 'নো' ডাকেন।

২৩তম ওভারে আঘাত হানেন তাইজুল ইসলাম। তার বলে উড়িয়ে সীমানা ছাড়া করতে গিয়ে শাহাদাতের ক্যাচে পরিণত হন সামি আসলাম (১৯)।

৬১তম ওভারে সৌম্য সরকারের বলে শর্ট কাভারে সাকিব আল হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়েছিলেন ইউনুস খান। তবে তৃতীয় আম্পায়ারের সহায়তা নিয়ে বলটি 'নো' ডাকেন আম্পায়ার।

প্রাণ ফিরে পাওয়া আযহার ও ইউনুসকে আর পিছনে তাকাতে হয়নি। গড়ে তোলেছেন ২৫০ রানের জুটি।

অবশেষে দিনের শেষ সময়ে ইউনুস খানকে বিদায় করেন শহীদ। ৮৫তম ওভারে শুভাগত হোমের হাতে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে ১৯৫ বলে ১১টি চার ও তিনটি ছক্কায় ১৪৮ রান করেন।

২৫৮ বল মোকাবিলা করে ১২৭ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন ওয়ানডাউনে মাঠে নামা আযহার আলী। তার সঙ্গে ৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন মিজবাহ উল হক।

জেডআই