আগের আসরের মতোই টি-২০ বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের বৈতরনী পাড়ি দিয়েছিল বাংলাদেশ বেশ দাপটের সঙ্গেই। কিন্তু সুপার টেন পর্বে গিয়ে ভাগ্য বদলাতে ব্যর্থ হয়েছে টাইগাররা। টানা চার ম্যাচ হেরে ভগ্ন মনোরথে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল।
সুপার টেনে কোনো ম্যাচ না জেতার আক্ষেপই পোড়াচ্ছে সাকিব আল হাসানকে। ভারতের কাছে অবিশ্বাস্য হারের স্মৃতিও ভুলতে পারছেন না এ অলরাউন্ডার।শনিবার এমনই জানিয়েছেন তিনি।
রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে শনিবার রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের নতুন মোটরসাইকেল উদ্বোধন করতে গিয়ে এসব কথা বলেছেন সাকিব। তিনি বলেন, “টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম চ্যালেঞ্জটা ছিল দ্বিতীয় পর্বে (মূল পর্ব বা সুপার টেন) আসা। তাতে আমরা ভালোভাবেই সফল হয়েছি। তারপর মূল পর্বে ভালো ক্রিকেট খেলেছি। কিন্তু ম্যাচ জিততে পারিনি একটিও। তাই নিজের কাছেই এ নিয়ে অতৃপ্তি রয়েছে।”
ভারতের কাছে ১ রানে হারার কারণ জানতে চাইলে সাকিব বলেন, “কেন এই ম্যাচটা হেরেছি তা আমার জানা নেই। এই প্রশ্নের কোনো উত্তর খুঁজে পাই না। ম্যাচ হারার পর দলের ড্রেসিং রুমেও একই অবস্থা বিরাজ করছিল। সবাই খুঁজছিল এই প্রশ্নের উত্তর; কেন আমরা হারলাম? তবে আমার মনে হয়, নতুন করে ১০০বার যদি এই অবস্থায় পড়ি তাহলে আমরাই ম্যাচ জিতবো।”ওই হার থেকেই শিক্ষা নিতে চান এ বাঁহাতি অলরাউন্ডার।
টি-২০ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছাড়া কোনো বড় দলকে হারাতে না পারার অতৃপ্তি রয়ে গেছে বাংলাদেশ দলে। এবারও সেটি ঘুচানো সম্ভব হয়নি। সাকিব বলেন, “২০০৭ সালের পর টি২০ বিশ্বকাপে এখনও বড় কোনও দলকে হারাতে পারিনি। আমাদের প্রাপ্তি রয়েছে অনেক। কিন্তু ম্যাচ না জেতাটাই সবচেয়ে বড় অতৃপ্তি। টি২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অন্যতম আলোড়ন সৃষ্টিকারী দল, এতে কোনও সন্দেহ নেই।”
বিশ্বকাপ ভুলে সাকিব এখন মনোযোগ দিতে চান আইপিএলে। এবারও তিনি খেলবেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। তিনি বলেন, “সামনে আইপিএল। এ প্রসঙ্গে খুব একটা ভাবছি না। আমি পেশাদার ক্রিকেটার। যেখানেই খেলি নিজের সর্বোচ্চ নৈপুণ্য প্রদর্শনের জন্যই খেলি।”
ওএফ





