রূপকথা লেখা হয়নি। নিজের শেষ ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা জিততে পারেননি উসাইন বোল্ট। তাতেও অবশ্য কিছু যায় আসে না, বোল্ট যে কিংবদন্তি হয়েছেন এর বহু আগেই।

টানা তিন অলিম্পিকে স্প্রিন্টের ডাবল জেতা এই অ্যাথলেট তো ‘অমরত্ব’ই পেয়ে গেছেন। তাঁর মতো ট্র্যাকে ঝড় তুলতে পারেনি কেউ। কেউ কখনো করতে পারবে এমনটাও বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয় না।

ক্যারিয়ারজুড়ে ট্র্যাকে গড়ে ঘণ্টায় ২৩ মাইল গতিতে ছুটেছেন। সর্বোচ্চ ২৭ মাইল গতিতেও ছুটেছেন তিনি।

২০০৯ সালে ম্যানচেস্টারে ১৫০ মিটারের এক রেস শেষ করেছিলেন ১৪.৩৫ সেকেন্ডে। সেদিন তাঁর গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৫.৭১ মাইল (৪১.৩৮ কিলোমিটার)।

এ গতিতে তিনি ১০০ মিটারের রেকর্ডের দিনেও ছোটেননি। অবশ্য দর্শকদের আনন্দ দিতে বুক চাপড়ানো কিংবা আশপাশের দৃশ্য দেখতে দেখতে দৌড় শেষ না করলে ১০০ ও ২০০ মিটারের রেকর্ডগুলো চাইলেই আরও ভালো করতে পারতেন।

আসুন দেখে নেওয়া যাক, মানব জাতির কারও পক্ষে তো সেরা ফর্মের বোল্টের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া সম্ভব নয়, প্রাণী জগতের অন্যরা তাঁর সঙ্গে পারে কিনা!

শুকর:

নাদুসনুদুস শরীর দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। এরাও প্রচণ্ড গতিতে ছুটতে জানে। শূকরের রেসও আয়োজন করা হয় নিয়মিত। কিন্তু ঘণ্টায় ১১ মাইল গতিতে ছোটা শূকরের পক্ষে সম্ভব নয় বোল্টকে ধরা।

কাঠবিড়ালি:

সামনে কেউ পড়লেই ছুট! কাঠবেড়ালির দেখা পাওয়া কঠিন কাজ। অবশ্য আপনি বোল্টের মতো দৌড়াতে পারলে আলাদা হিসাব। ঘণ্টায় ১২ মাইল গতিতে ছোটা কাঠবেড়ালি যে জ্যামাইকান স্প্রিন্টারের তুলনায় অনেক ধীর!

হাতি:

বিশাল বপু নিয়েও ঘণ্টায় ১৫ মাইল বেগে ছুটতে পারে হাতি। তবে বোল্টের নাগাল পাওয়া হবে না তাদের।

রোড রানার:

রোড রানার—নামই বলে দিচ্ছে দৌড়ানোই এদের কাজ। কিন্তু ২০ মাইল গতির এই পাখিও পিছিয়ে থাকবে বোল্টের চেয়ে।

কুকুর:

ভয়ংকর গতিতে ছুটতে পারে বলে বিখ্যাত এই প্রজাতির কুকুর। কিন্তু ঘণ্টায় ২৫ মাইল গতিতে ছোটা টেরিয়ারও পারবে না বোল্টের সর্বোচ্চ গতির সঙ্গে।

গাড়ি:

কোনো প্রাণী নয়, তবু যোগ করতেই হচ্ছে। বিদ্যালয়ের সীমানায় যেকোনো গাড়ির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ মাইল। অর্থাৎ বিদ্যাপীঠের আশে পাশে বোল্টই এগিয়ে থাকবেন চার চাকার বাহনের চেয়ে। সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার।

জেড