চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দুই দিন দাপট দেখায় অস্ট্রেলিয়া। বুধবার বোলারদের দুর্দান্ত দৃঢ়তায় দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার টেস্টের চতুর্থ দিনের শুরুতেই অজিদের শেষ উইকেট তুলে নিয়ে টাইগার শিবিরদের চাঙা করেন মোস্তাফিজুর রহমান। তবে বোলারদের গড়ে দেয়া ভিত কাজে লাগাতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা।

দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং বাজে শটের প্রদর্শনীতে একের পর এক সাজঘরে আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু হয় বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় হারের প্রহর গুনছে মুশফিকুর রহীমের দল। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে জিততে হলে মাত্র ৮৬ রান করতে হবে অজিদের।

মিরপুর টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারিয়ে চট্টগ্রামে আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে বাজে ফিল্ডিং এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটসম্যানদের ভরাডুবির কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের স্বপ্ন মিইয়ে যেতে শুরু করেছে।

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩০৫ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার ৯ উইকেটে ৩৭৭ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে অস্ট্রেলিয়া। দিনের দ্বিতীয় ওভারে নাথান লায়নকে আউট করে বাংলাদেশের মুখে হাসি ফোটান মোস্তাফিজ। নাথান লায়ন ও প্যাট কামিন্সের বোলিং তোপে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ১৫৭ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় সেই হাসি উধাও হয়ে যায়।

বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিক ৩১ এবং মুমিনুল করেন ২৯ রান। সাব্বির রহমানের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। মেহেদী হাসান মিরাজ ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন। সৌম্য ৯, তামিম ১২, ইমরুল ১৫,  সাকিব ২ ও নাসির ৫ রান করে আউট হন।

দ্বিতীয় ইনিংসেও অস্ট্রেলিয়ার সেরা বোলার নাথান লায়ন। ৬০ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট নেন তিনি। প্রথম টেস্টে ৯ উইকেট নেয়া লায়ন চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে নেন ৭ উইকেট। সবমিলিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২২ উইকেট নেন তিনি। দুই টেস্টের সিরিজে তার চেয়ে বেশি উইকেট নেন কেবল রঙ্গনা হেরাথ (২৩টি)। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে দুটি করে উইকেট নেন অ্যাস্টন অ্যাগার ও প্যাট কামিন্স।

এমএ