বিশ্বকাপের প্রথম হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৪-১ গোলে এগিয়ে আছে নেদারল্যান্ডস। খেলার ৭২ মিনিটের মাথায় দলের পক্ষে চতুর্থ ও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন পার্সি। এর আগে ৬৩ মিনিটে স্টেফান ডি ব্রিজের হেড থেকে দুই গোলের ব্যবধান তৈরি করে ডাচরা।
এর আগে ৫৩ মিনিটে স্পেনের ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে ও সারর্জিও র্যামোসকে বোকা বানিয়ে গোলরক্ষক ইকার ক্যাসিয়াসকে পরাস্ত করে দলের পক্ষে দ্বিতীয় গোলটি করেন আরিয়েন রোবেন।
পিছিয়ে পড়ার পর খেলার ৬৩ মিনিটে দিয়োগো কস্তাকে উঠিয়ে দেল বস্ক মাঠে নামান চেলসি স্ট্রাইকার ফার্নান্দো তোরেসকে। তবে তাতেও কোনো কাজ হয়নি।
এর আগে খেলার ২৭ মিনিটে জাবি অ্যালোন্সোর বিতর্কিত পেনাল্টিতে ১-০ গোলে স্পেন এগিয়ে গেলেও ৪৪ মিনিটে ভ্যান পার্সির অসাধারণ গোলে সমতা আনে নেদারল্যান্ডস।
খেলার ২৬ মিনিটে স্পেন তারকা দিয়েগো কস্তা নেদারল্যান্ডসের ডিবক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়লে তাকে বাধা দেন ডিফেন্ডার স্টেফান ডি ভ্রিজি। এক মুহূর্ত দেরি না করেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। এরপর জাবি অ্যালোন্সো নেদারল্যান্ডস গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়াতে কোনো ভুল করেননি।
এরপর ৪৪ মিনিটে দালি ব্লাইন্ডের পাঠানো শূন্যের বলে নিপুণ দক্ষতায় এগিয়ে আসা গোলরক্ষক ক্যাসিয়াসকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠান মানচেস্টার ইউনাইটেডের তারকা রবিন ভ্যান পার্সি।

এর আগে ৪৩ মিনিটে ইনিয়েস্তার ডিফেন্স ভেদ করা পাস থেকে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ হাত ছাড়া করেন ডেভিড সিলভা।
রক্ষণাত্মক ভঙ্গিমায় শুরু করলেও ম্যাচের ৮ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে গোল করার দারুণ সুযোগ পান নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডার স্নেইডার। তার জোরালো শট ডানদিকে ঝাপিয়ে পড়ে প্রতিহত করেন ইকার ক্যাসিয়াস।
এরপর খেলার ১০ মিনিটে জাবি অ্যালোন্সোর পাস থেকে দূর থেকে গোল করার চেষ্টা করেন ইনিয়েস্তা। কিন্তু ইনিয়েস্তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ১৩ মিনিটে স্ট্রাইকার দিয়েগো কস্তার বাম পাশ দিয়ে তীব্র গতিতে নেদারল্যান্ডসের রক্ষণ ভেঙে ঢুকে পড়েন ডিবক্সে। হল্যান্ড ডিফেন্ডার ভ্লার নিখুঁত কৌশলে কস্তাকে ট্যাকল করে দলকে বিপদমুক্ত করেন।
জন্মভূমি ব্রাজিলকে উপেক্ষা করে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপে আসা স্ট্রাইকার দিয়েগো কস্তা বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি করলেও নেদারল্যান্ডসের জালে বল জড়াতে পারেননি।
ঢাকা, ১৪ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই





