রিয়ালের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নব্যুতে বৃহস্পতিবার রাতে লা লিগার ম্যাচে কাদিজের বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতেছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। স্বাগতিকদের হয়ে গোল দু'টি করেছেন এদের মিলিতাও এবং টনি ক্রুস। সফরকারীদের একমাত্র গোলটি করেন লুকাস পেরেজ।

লিগে দুই ম্যাচ পর জয়ের স্বাদ পেল কার্লো আনচেলত্তির দল। জিরোনার সাথে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর গত রাউন্ডে রায়ো ভায়েকানোর মাঠে ৩-২ গোলে হেরেছিল তারা।

শুরুর কয়েক মিনিটে দুই দলই গোলের চেষ্টা করে বক্সের বাইরে থেকে। অহেলিয়া চুয়ামেনি ও লুকা মদ্রিচের শট উড়ে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে কাদিজের আলফোনসো এস্পিনোর শট ক্রসবার ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।

২৮ মিনিটে ভালো একটি সুযোগ পায় রিয়াল। উরুগুয়ের মিডফিল্ডার ফেডেরিকো ভালভার্দের শট পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।

প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট বাকি থাকতে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। বাঁ দিক থেকে টনি ক্রসের বাড়ানো ক্রস পেয়ে হেডে সফরকারীদের জালে বল পাঠান ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার এদের মিলিতাও। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় কার্লো আনচেলত্তির দল।

দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে সফরকারীদেরকে ম্যাচে ফেরানোর সুযোগ পান রুবেন সবরিনো। সতীর্থের ক্রস বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দুরূহ কোণ থেকে তার প্রচেষ্টা এগিয়ে এসে রুখে দেন রিয়াল গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।

৭০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন টনি ক্রুস। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শটে প্রতিপক্ষের একজনের পায়ে লেগে বল আসে বক্সের বাইরে, আর বুলেট গতির ভলিতে কাদিজের জালে বল পাঠান এই জার্মান মিডফিল্ডার।

৮১ মিনিটে ব্যবধান কমান লুকাস পেরেজ। দুরূহ কোণ থেকে থিও বনগোন্দার শট কোর্তোয়া ঠেকালেও বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। আলগা বল পেয়ে স্বাগতিকদের জালে বল পাঠান লুকাস পেরেজ।

পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ার দারুণ একটি সুযোগও যোগ করা সময়ে এসে যায় কাদিসের সামনে। সতীর্থের ক্রস বক্সে ফাঁকায় পান এস্পিনো, কোর্তোয়াও পোস্টে ছেড়ে এগিয়ে আসেন অনেকটা; কিন্তু উরুগুয়ের ডিফেন্ডারের হেড ক্রসবারের ওপর দিয়ে গেলে বেঁচে যায় রিয়াল। ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আনচেলত্তির শিষ্যরা।

বিশ্বকাপ বিরতির আগে এটি ছিল লা লিগার শেষ ম্যাচ। এই জয়ে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সাথে ব্যবধান কমাল রিয়াল। ১৪ ম্যাচে কাতালান দলটির ৩৭ পয়েন্ট, মাদ্রিদের দলটির ৩৫।

এবিএস