আগামী ১৬ মার্চ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় চার-ছক্কার এই টুর্নামেন্ট। এ পর্যন্ত মোট চারটি আসরে চারটি দেশ জিতেছে শিরোপা। এবারের বিশ্বকাপের আগে এক নজরে দেখা যাক বিগত আসরগুলো।
২০০৭: স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা।
ফাইনাল: পাকিস্তানকে ৫ রানে হারিয়ে শিরোপা জয় করে ভারত।
আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে এক ওভারে ছয়টি ছক্কা হাকানো প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে রেকর্ড সৃষ্টি করেন ভারতীয় যুবরাজ সিং। সুপার এইটের ম্যাচে ইংল্যান্ড বোলার স্টুয়ার্ট ব্রডকে ছয় বলে ছয়টি ছক্কা হাঁকান তিনি। দলকে ফাইনালে নেয়ার উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল যুবরাজের ছয় ছক্কা।
জোহান্সেবার্গের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে মাত্র ৫ রানে হারিয়ে উদ্বোধনী আসরের শিরোপা জয় করে ভারত।
২০০৯: স্বাগতিক ইংল্যান্ড।
ফাইনাল: শ্রীলংকাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জয় করে পাকিস্তান।
শেষ বলে হল্যান্ডের কাছে পরাজিত হওয়াটা আর কখনোই সামলিয়ে উঠতে পারেনি ইংল্যান্ড। মোট ৩১৭ রান করে টুর্নামেন্ট সেরা নির্বাচিত হওয়া শ্রীলংকা ওপেনার তিলকারত্বে দিলশানের বিখ্যাত ‘দিল স্কুপ’ প্রকাশিত হয় এ টুর্নামেন্টে। লর্ডসের ফাইনালে দিলশান ডাক মারেন। পক্ষান্তরে শহীদ আফ্রিদির ৪০ বলে অপরাজিত ৫৪ রানের সুবাদে জয় পায় পাকিস্তান।
২০১০: স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ফাইনাল: অস্ট্রেলিয়াকে ৭ উইকেটে হারায় ইংল্যান্ড।
ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হওয়া কেভিন পিটারসেনের অসাধারণ নৈপুণ্যে বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে আইসিসির কোন ইভেন্টে প্রথমবার শিরোপা জয় করে ইংল্যান্ড।
২০১২: স্বাগতিক শ্রীলংকা।
ফাইনাল: শ্রীলংকাকে ৩৬ রানে হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ফাইনালে স্বাগতিক শ্রীলংকাকে মাত্র ১০১ রানে অল আউট করে দারুণ এক জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টুর্নামেন্ট সেরা নির্বাচিত হওয়া অজন্তা মেন্ডিজের ১৫ রানে ৪ উইকেট শিকারে ৬ উইকেটে ১৩৭ রানে আটকে যায় ক্যারিবীয়রা। জবাবে ৯ রানে সুনিল নারাইনের ৩ উইকেট শিকারের ফলে ৩৬ রানে জয় নিয়ে উৎসবে মেতে ওঠে ক্রিস গেইলের নেতৃত্বাধীন ক্যলিপসোরা।
টি-টোয়েন্টির গত আসরগুলো
আগামী ১৬ মার্চ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় চার-ছক্কার এই টুর্নামেন্ট।
নাঈমের ফিফটিতে ক্যারিবীয়দের ১৭০ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ
মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের চূড়ান্ত রূপ দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। ৩৫ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর ৬ উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে আলোকস্বল্পতায় আগেভাগে দিন শেষ করেছিল। চতুর্থ দিনে নামার আগে স্বীকৃত ব্যাটার জাকের আলির দিকে তাকিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তবে তিনি পারেননি, আট নম্বরে নামা নাঈম হাসানের ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তারা ১৭০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে।
আলোকস্বল্পতায় বন্ধ খেলা, বাংলাদেশের লিড ১০৬
মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অলআউট করে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। কিন্তু ক্যারিবীয় স্পিনে দিশেহারা হয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। এক সময় মনে হচ্ছিলো হয়তো একশো রানের লিডও নিতে পারবে না টাইগাররা। তবে জাকের-নাঈমের ব্যাটে নতুন স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ শিবির। ইতোমধ্যে লিড একশো ছাড়িয়েছে। এরপরই আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হয়েছে খেলা।
ঢাকা টেস্টে ৩৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে বাংলাদেশ
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ক্যারিবীয় অধিনায়ক রস্টন চেজের স্পিনে একের পর এক উইকেট হারিয়ে চরম চাপে পড়েছে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৩৫ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে পাওয়া ২৭ রানের লিডসহ বাংলাদেশের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৭২ রানে।
তাসকিনকে ফিরিয়ে উইন্ডিজ টেস্টের দল ঘোষণা করল বিসিবি
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টের ঘোষিত স্কোয়াড থেকে দুটি পরিবর্তন এনেছেন নির্বাচকেরা। বিশ্রাম শেষে দলে ফিরেছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। অতিরিক্ত ক্রিকেটার থেকে মূল স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন অফ স্পিনার নাঈম হাসান। বাদ পড়েছেন সৌম্য সরকার ও খালেদ আহমেদ। তবে চোট কাটিয়ে ফেরার অপেক্ষায় থাকা নাহিদ রানার জায়গা হয়নি দলে।
হোপের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড রানতাড়ায় ভারতকে হারাল ক্যারিবীয়রা
কয়েকদিন আগে ১৬২ রানের অপরাজিত ইনিংসে ওয়ানডেতে ভারতের সাড়ে তিনশ রান তাড়ায় জয়ের নায়ক ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক শাই হোপ। আগের ম্যাচেও ছিল সেঞ্চুরি। এবার ফরম্যাট বদলে টি-টোয়েন্টিতেও হোপ খেললেন শতরানের ইনিংস। যাতে ভর করে ক্যারিবীয়রা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লক্ষ্য (২৫০) তাড়া করে ভারতকে হারিয়েছে।












