ত্রি-দেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের দেয়া ৩২১ রানের বিশাল লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমেছে হাথুরুসিংহের শ্রীলঙ্কা।

শুরু থেকেই তাদের চেপে ধরেছেন বাংলাদেশের বোলাররা। দলের ২ রান উঠতেই একটি উইকেট হারায় লঙ্কানরা। পরে কিছুটা থিতু হয়েছিল উপুল থারাঙ্গা আর কুশল মেন্ডিসের জুটিটি।

থারাঙ্গাকে মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ বানিয়ে ৪১ রানের এই জুটিটি ভাঙেন বাংলাদেশ দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা।

এরপর কুশল মেন্ডিসকেও বেশিদূর এগোতে দেননি মাশরাফি। তাকে তুলে মারতে গিয়ে মিড অফে রুবেল হোসেনের দারুণ এক ক্যাচে পরিণত হন লঙ্কান দলের ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। তিনি করেন ১৯ রান।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিরে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৬৪ রান।

লঙ্কান দলের বাঁহাতি দুই ওপেনার উপুল থারাঙ্গা আর কুশল পেরেরাকে ভড়কে দিতে নাসির হোসেনকে দিয়ে বোলিং আক্রমণ শুরু করেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বুদ্ধিটা কাজে দিয়েছে বেশ।

নাসিরের প্রথম ওভারে মাত্র ২ রান নিতে পেরেছে শ্রীলঙ্কা। মাশরাফি তো পরের ওভারে রানই দেননি। এর মধ্যে তার একটি এলবিডব্লিউয়ের আবেদনে সাড়া দিয়েছিলেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়ে অল্পের জন্য বেঁচে যান উপুল থারাঙ্গা।

পরের ওভারের প্রথম বলেই আঘাত হানেন নাসির। ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে এসে তার নিচু হয়ে যাওয়া বল মিস করে বোল্ড হন ১ রান করা কুশল পেরেরা। এরপর মিড অফে মাশরাফিকে তুলে মারতে গিয়ে আউট হয়েছেন থারাঙ্গা। লঙ্কান এই ওপেনার করেন ২৫ রান।

বাংলাদেশ দল: মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), আবুল হাসান, আনামুল হক বিজয়, ইমরুল কায়েস, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিথুন, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মোস্তাফিজুর রহমান, নাসির হোসেন, রুবেল হোসেন, সাব্বির রহমান, তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান ও সানজামুল ইসলাম।

শ্রীলংকা দল: দিনেশ চান্ডিমাল (অধিনায়ক), উপুল তারাঙ্গা, দানুশকা গুনাথিলাকা, কুসল মেন্ডিজ, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ, কুসল জেনিথ পেরেরা, ধিসারা পেরেরা, আসেলা গুনারত্নে, রিনোশান ডিকবেলা, সুরঙ্গ লাকমাল, নুয়ান প্রদীপ, দুশমন্ত চামিরা, শেহান মাদুশানাকা, আকিলা ধনঞ্জয়া, লক্ষন সান্দাকান, বানিদু হাসারাঙ্গা।

এমবি