এর মধ্য দিয়ে টানা দীর্ঘ সময় ধরে সংস্থাটির নেতৃত্বে থাকার ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন তিনি।
যদিও ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতির দায়িত্ব থেকে বিদায় নেন সালাউদ্দিন, তবু আঞ্চলিক ফুটবলের প্রশাসনে তার অবস্থান অটুট রয়েছে। ২০০৯ সালে প্রথমবার সাফের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে প্রতিটি নির্বাচনে তিনি দায়িত্ব ধরে রেখেছেন।
সাফের গঠনতন্ত্রে আগে সভাপতির মেয়াদ এবং বয়সসীমা নিয়ে বিধিনিষেধ ছিল। তবে গত বছর সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সেই সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল, নতুন নির্বাচনেও সালাউদ্দিনের পথ অনেকটাই সহজ হবে। শেষ পর্যন্ত সেটিই বাস্তবে রূপ নেয়।
এবারের নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আনুষ্ঠানিক সমর্থন নেননি। পরিবর্তে নেপাল ও ভুটানের ফুটবল সংস্থার সমর্থন নিয়ে প্রার্থী হন। মনোনয়ন জমা ও প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরই নিশ্চিত হয়ে যায়, সভাপতি পদে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী থাকছে না। কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটে। একই সভায় বাফুফের সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ আরেফ সাফের নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
এদিকে কংগ্রেসে নেপালের ফুটবল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের বাইরে রয়েছে। নেপালকে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য সময় দিয়েছে সাফ।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিফার নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে তারা আসন্ন সাফ টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। অন্যথায় প্রতিযোগিতা থেকে তাদের বাইরে থাকতে হবে।
জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে নেপালকে স্বাগতিক বাংলাদেশ যে গ্রুপে থাকবে, সেই গ্রুপেই অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দলটির সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের ভাগ্য।
এস