টেস্টে বাংলাদেশের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডে সবাইকে ছাড়িয়ে শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছেন টাইগারদের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরিয়ান তামিম ইকবাল।
খুলনা টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিন ২৬৪ বলে দ্বিশতকে পৌঁছান তামিম। অনন্য এই মাইলফলকে পৌঁছাতে ১৭টি চার ও ৭টি ছক্কা মারেন তিনি।
২০১৩ সালে গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০০ রান করেছিলেন মুশফিক। টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্বিশতক করার কৃতিত্ব তারই। সেই সঙ্গে রেকর্ড গড়েন ব্যক্কিগত সর্বোচ্চ রান স্কোরারের।
দীর্ঘ দিন ধরে রেকর্ডটি ধরে রেখেছিলেন বাংলাদেশের টেস্টে অধিনায়ক। অবশেষে সেই রেকর্ডটি নিজের করে নিলেন তামিম। মুশফিকের ২০০ রান ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। হাফিজের বলে স্টাম্পিং হওয়ার আগে ২০৬ রান করেন এই ওপেনার।
পাকিস্তানের চলতি সফলে দারুণ ফর্মে আছেন তামিম। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে টানা দুটি সেঞ্চুরি করেন। এবার টেস্টেও ব্যাট হাতে জাদু দেখালেন তিনি।
২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে টানা দুই টেস্টে শতক পাওয়ার পর থেকে অনেক দিন এই সংস্করণে আর তিন অঙ্কে পৌঁছাতে পারছিলেন না তামিম। গত বছর নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ দুই টেস্টে শতক করে তিন অঙ্কে পৌঁছাতে না পারার হতাশা দূর করেন তামিম।
টেস্ট শতকের জন্য তামিমের চার বছরের বেশি সময়ের অপেক্ষার অবসান হয়েছিল খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামেই। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেই শতকে পৌঁছাতে ৩১২ বল খেলেছিলেন আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।
পরের টেস্টে নিজের শহর চট্টগ্রামে আরেকটি শতক তুলে নেন তামিম। এই শতকটি অবশ্য করেন স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে চলতি টেস্টে বিপদে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশকে রক্ষা করলেন তামিম। শুক্রবার সকালে ফুপুর মৃত্যুর খবর শোনার পরও মনোবল অটুট রেখে নিজের সপ্তম শতক তুলে নেন তিনি।
চতুর্থ দিন শেষে ১৩৮ রানে অপরাজিত থাকা তামিমের দিকে পঞ্চম ও শেষ দিনও তাকিয়ে ছিল বাংলাদেশ। ইমরুল কায়েস ও মুমিনুল হক ফিরে গেলেও অবিচল ছিলেন তামিম। তার ব্যাটেই ম্যাচ বাঁচানোর পথে আছে স্বাগতিকরা।
জেডআই





