বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরি। তিনি জানান, ‌‘টিকিট-টা নিশ্চিত হলেই সে কাল যাবে। সেখানে অলরেডি একজন ডাক্তারের অ্যাপয়েনমেন্ট নেওয়া হয়েছে। এবাদতের সঙ্গে একজন ফিজিও যাচ্ছেন।’

এর আগে গতকাল মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে এবাদতের না থাকা নিয়ে প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বলছিলেন, ‘আপনারা জানেন এবাদত আমাদের ইমপ্যাক্টফুল বোলারদের একজন। আমাদের পাঁচজন ফাস্ট বোলারের মধ্যে যারা শেষ কয়েকটি সিরিজে খেলেছে, তাদের মধ্যে সে দ্রুতগতির বোলারও। তাই এটা আমাদের জন্য বড় ক্ষতি এবং তার বিকল্প বের করা আমাদের জন্য কঠিন কাজ। আশা করছি সে দ্রুত সেরে উঠবে।’

এবাদতের না থাকাকে দুর্ভাগ্যজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন সাকিব। এবাদত ছাড়াও বোলিং আক্রমণে আরও কয়েকজনের চোট সমস্যা রয়েছে। তবে এ নিয়ে চিন্তিত নন টাইগার অধিনায়ক। সাকিবের ভাষ্য, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবাদত আমাদের সঙ্গে যেতে পারছে না। সে আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। সে জায়গা থেকে এটা আমাদের জন্য একটা ধাক্কা। তারপরও সে ধরনের প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি এবং যে ধরনের স্কোয়াড আছে আমরা আশাকরি অনেকদূর যেতে পারবো।’

এর আগে প্রথম দিকে ধারণা করা হয়েছিল, এবাদত হোসেনের হাঁটুর চোট তেমন গুরুতর নয়। সেই সময় ক্রিকেট বোর্ড পুনর্বাসন ও পরিচর্যা করেই তাকে খেলায় ফেরাতে চেয়েছিলেন। তবে গত কিছুদিন পুনর্বাসন করেও লাভ হয়নি তার। একের পর এক এমআরআই করে দেখা গেছে, এবাদতের চোটাক্রান্ত বাঁ হাঁটুর এসিএল লিগামেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেটা ঠিক করতে উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন হবে।

এনএইচ