৫৪ বছর বয়সী আলিম দার চারটি বিশ্বকাপ ফাইনালসহ রেকর্ড সংখ্যক ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ আম্পায়ারিং ক্যারিয়ারে ২০০৬ আইসিসি ট্রফি ফাইনাল, ২০০৭ ও ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনাল এবং ২০১০ ও ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনা করেন। এর মধ্যে ২০০৯ থেকে ২০১১ পর্যন্ত টানা তিন বছর আইসিসির বর্ষসেরা আম্পায়ার (ডেভিড শেফার্ড ট্রফি) নির্বাচিত হন তিনি।
মিরপুরে গার্ড অব অনার শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে বিসিবির কাছে থেকে পেয়েছেন ক্রেস্ট উপহার। এর আগে ২০০৪ সাল থেকে এ্যালিট প্যানেলে যুক্ত হন আলিম দার। ২০০২ সালে যুক্ত হন আইসিসির ইন্টারন্যাশনাল প্যানেলে।
তবে আইসিসির এলিট প্যানেল ছাড়লেও আন্তর্জাতিক আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যেতে চান তিনি। কদিন আগে আইসিসির এক বিবৃতিতে আলিম দার বলেন, এলিট প্যানেলে এতটা সময় থাকার পর এখন সরে যাওয়ার সময় এসেছে। এতে করে অন্য কেউ সুযোগ পাবে। যদিও আন্তর্জাতিক আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যেতে চাই। বিশ্বজুড়ে আম্পায়ারদের প্রতি আলিম দারের বার্তা, পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ধরে রাখা এবং শেখা চালিয়ে যাওয়া।
আম্পায়ারদের এলিট প্যানেলের যাত্রা শুরু হয় ২০০২ সাল থেকে। আর তখন থেকেই এই প্যানেলে যুক্ত আছেন পাকিস্তানি এই আম্পায়ার। আম্পায়ার হিসেবে আলিম দারের ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০০ সালে, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে। এরপর ২০০৩ সালে ঢাকায় বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে হয় টেস্ট অভিষেক। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আম্পায়ার হিসেবে তার পথচলা শুরু ২০০৯ সালে, দুবাইয়ে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে।
এমআই





