১১তম যুব বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশকে ২১২ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিয়েছে নেপাল। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৯ উইকেটে ২১১ রান সংগ্রহ করে নেপাল।
টসে হেরে ফিল্ডিং করতে নেমে শুরুতেই দাপট দেখায় বাংলাদেশ। ১৯ রান তুলতেই ২ উইকেট হারায় নেপাল। ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে পেসার সাইফউদ্দিনের বলে বোল্ড হন স্বন্দীপ সুনার (৭)। পরের ওভারের প্রথম বলে আব্দুল হালিমের পরিবর্তে খেলতে নামা মেহেদী হাসান রানা চমক দেখান।
গতির পাশাপাশি অসাধারণ এক বাউন্সে তুলে নেন প্রথম উইকেট। ব্যাটসম্যান জোগেন্দ্র সিং কারকি (১)ব্যাট নামিয়েও রক্ষা পাননি। দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে তৃতীয় উইকেট জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে তুলে নেপাল। অধিনায়ক রাজু রিজাল ও সুনিল ধামালা ৪৪ রান যোগ করেন।

বিপদজনক হয়ে উঠা এ জুটি ভাঙে রান আউটে। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে নাজমুল হোসেন শান্তর থ্রোতে উইকেট রক্ষক জাকির হাসান স্ট্যাম্প তুলে সুনিল ধামালাকে (২৫) আউট করেন।
চতুর্থ উইকেটে ৫১ রানের জুটি পায় নেপাল। বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যাটিং করে ৫৭ বলে ৫১ রান যোগ করেন রাজু রিজাল ও আরিফ শেখ।

এ সমেয় অধিনায়ক রাজু হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। স্পিন অ্যাটাক সরিয়ে পেস অ্যাটাক আনার পর সাফল্য পায় বাংলাদেশ। পেসার সাইফউদ্দিনের বলে তুলে মারতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ তুলে দেন আরিফ শেখ (২১)। অসাধারণ দক্ষতকায় ক্যাচটি লুফে নিতে কোনো সমস্যাই হয়নি জয়রাজ শেখ ইমনের।
তবে একপ্রান্ত আগলে খেলে যেতে থাকেন রাজু রিজাল।

হাফসেঞ্চুরির পরও বাংলাদেশের বোলারদের বেশ দাপট দেখিয়ে খেলে যেতে থাকেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান। তবে জুনিয়র টাইগারদের ফিল্ডিং নৈপুণ্যে হার মানতেই হয় তাকে। তার ৮০ বলে ৭২ রানের ইনিংসটি থেমে যায় শান্ত ও জাকির হাসানের ফিল্ডিংয়ে।

অন্যপ্রান্তে থাকা বাহাতি রাঝভির সিংকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি স্পিনার শাওণ। সুইপ করতে গিয়ে এলবিডাব্লিউ’র শিকার হন রাঝভির সিং (৯)।
এআই

শেষ দিকে দিপেন্দ্র সিং আইরি ২২ প্রেম তামাংয়ের ও কৌশল ভুটেলের ১৪ রানে ২১১ রানের পুঁজি পায় নেপাল।

বল হাতে বাংলাদের সেরা বোলার পেসার সাইফউদ্দিন। ৩৮ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া ১টি করে উইকেট নেন মেহেদী হাসান রানা, মেহেদী হাসান মিরাজ ও সালেহ আহমেদ শাওণ।

এআই