ক্রিকেটারদের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ায় তেমন হতভম্ব হওয়ার বিষয় নয়। নিয়ম-কানুন ও দলীয় শৃঙ্খলার ব্যাপারে সবসময় অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে একটু বেশি সতর্ক ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।
বল টেম্পারিংয়ের দায়ে দলের সেরা তিন খেলোয়াড় ক্যামেরন বেনক্রফট, স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারকে এক বছরের জন্য মাঠ ছাড়া করেছিল সিএ।
এটাকে ক্রিকেট দুনিয়ায় কোনো বোর্ডের অন্যতম দৃষ্টান্ত বলা চলে। এবার তেমনই এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল সেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াই।
এবার শাস্তির শিকার হলেন ডানহাতি পেসার জেমস প্যাটিনসন। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়ম ভাঙার অপরাধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে তাকে। এই শাস্তির কারণে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না ২৯ বছর বয়সী এ পেসার।লঘু অপরাধে লঘু শাস্তিই বলা চলে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্যাটিনসনকে শাস্তি না দিলেও পারত সিএ। ঘরোয়া ক্রিকেটে এমনটি প্রায়ই হয়, যদিও তা কাঙ্ক্ষিত নয়।
কী অপরাধ করেছেন প্যাটিনসন? সে বিষয়ে জানা গেছে, কুইন্সল্যান্ডের খেলোয়াড় ক্যামেরন গ্যাননের বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ার একপর্যায়ে মেজাজ হারান প্যাটিনসন। একটু বেশি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি ভালো চোখে নেননি দুই আম্পায়ার জন ওয়ার্ড ও শন ক্রেইগ। তাদের দেয়া রিপোর্টের ভিত্তিতেই নিষিদ্ধ হয়েছেন প্যাটিনসন।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রাপ্ত বক্তব্য অনুযায়ী, শেফিল্ড শিল্ডে দেশটির ঘরোয়া ক্রিকেটের এক লিগে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় ভিক্টোরিয়া ও কুইন্সল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচ।
সেই ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কোড অব কন্ডাক্ট ভঙ্গ করেছেন প্যাটিনসন। শৃঙ্খলাবিষয়ক সংবিধানের ২.১৩-এর ধারা ভঙ্গ করেছেন তিনি। ফলে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে তাকে।
এদিকে অপরাধ স্বীকার করে শাস্তি মেনে নিয়েছেন প্যাটিনসন বলে জানা গেছে।
এম





