মুখ বন্ধ করেই ছিলেন সের্গিও রামোস। রামোসের ট্যাকলে মিসরের তারকা মোহামেদ সালাহ ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে রিয়ালের বিপক্ষে লিভারপুল তারকা খেলতে পারেন মাত্র ৩০ মিনিটি। রামোস ওই ঘটনার পরে সালাহকে বার্তাও পাঠিয়ে ছিলেন। এরপর ঘটে গেছে কত কান্ড। তবুও সালাহ সহ্য করে গেছেন।
তার নামে মামলা করেছে মিসরের আইনজীবী। অনলাইনে সাক্ষর নেওয়ার কর্মসূচি হয়েছে। তা ফিফার কাছে জানানো হয়েছে। শাস্তি দাবি করা হয়েছে তার। সব মেনে নিয়েছেন রামোস।
কিন্তু লিভারপুল গোলরক্ষক লরিস কারিউসের কথা আর সহ্য করতে পারলেন না রামোস। এতোটাই ক্ষিপ্ত হয়েছেন তার উপরে যে ঝাল ঝেড়েছেন বেশ।
চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে চোট পেয়ে সালাহ মাঠ থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে যান। ওই ফাইনালে হালকা চোট পেয়েছিলেন লিভারপুল গোলরক্ষক কারিউস।
লিভারপুল তারকা এক্ষেত্রে দাবি করেছেন রামোস কনুই দিয়ে তাকে জখম করেছিল। আর মাথার ওই ইনজুরি নিয়ে কারিউস খেলায় ঠিকঠাক মনোযোগ দিতে পারেননি। তাই ভুল করে দুই গোল খেয়ে বসেন তিনি।
এ বিষয়ে রামোস প্রথমে মজা করে বলেন, 'শুধু রবার্তো ফিরমিনোকে আমি ছাড় দিয়েছিলাম। ওর সেদিন ঠান্ডা লেগেছিল। এরপর আক্রমণাত্মক রামোস বলেন, 'যত সব বাজে কথা।
এসব কথা বলে সালাহকে বেশি বেশি প্রচার করা হচ্ছে। আমার মাঠের বিষয়টি স্পষ্ট মনে আছে। ওই প্রথমে আমার হাত টেনে ধরেছিল। আমি উল্টোদিকে পড়ে যাচ্ছিলাম। সালাহর অন্য হাতে চোটটা লেগেছে। যা দেখে অনেকেই ভাবছে আমি জুডোর ভঙ্গিতে সালাহকে আঘাত করেছি।'
এছাড়া রামোস দাবি করেন সালাহ ওই ম্যাচে ইনজেকশন নিলে খেলতে পারতো। এমন চোট নিয়ে রামোস নিজেও খেলেছে বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, 'আমি সালাহর সঙ্গে তাৎক্ষনিক কথা বলেছিলাম। সেটাও সবাই দেখেছে।'
চোটের কারণে মাঠ ছাড়লেও সালাহ অবশ্য মিশরের বিশ্বকাপ দলে আছেন। প্রথম ম্যাচে লেখতে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে তাকে দলে দেখা যেতে পারে। এমনকি মিসর কোচ আশা প্রকাশ করেছেন, সালাহ প্রথম ম্যাচ থেকেই খেলবেন।
এমআর





