ভারতের বিপক্ষে খেলতে নামলেই যেন প্রাণ ফিরে পায় বাংলাদেশ। ২০০৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর গত এশিয়া কাপে জয় নিয়ে তার প্রমাণও রেখেছিল টাইগাররা। এবার দ্বাদশ এশিয়া কাপে লাল-সবুজ বাহিনীর প্রথম লড়াই ভারতের বিপক্ষেই। এতেও আলো ছড়িয়েছেন এনামুল হক ও মুশফিকুর রহিম। তাদের ব্যাটে ভারতকে ২৮০ রানের লক্ষ্য বেধে দিয়েছে বাংলাদেশ।
বুধবার ফতুল্লাহ খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে এনামুল ও মুশফিকের খেলা দেখে কেউ ধারণাই করতে পারেনি যে, এই বাংলাদেশ শ্রীলংকার বিপক্ষে ব্যাটিং ব্যর্থতায় হোয়াইট হয়েছে।
তবে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে ভারত শিবিরে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতে পৌনে হোয়াইট ওয়াশ হওয়া দলটি বোলিং ব্যর্থতার গণ্ডি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। টস জিতে প্রথমে বোলিং বেছে নিয়ে শুরুতে দুই উইকেট শিকার করে আশারা আলো দেখছিল বিরাট কোহলির দল। কিন্তু এনামুল ও মুশফিকের কাছে তাদের কোনো কৌশলই কাজে লাগেনি। বোলারদেরকে বেধড়ক পিটিয়ে ১৩৩ রানের জুটি গড়ে তোলেন তারা। এরপর দুর্ভাগ্যক্রমে অরুনের বলে আউট হয়ে যান এনামুল। তবে মাঠ ছাড়ার আগে ১০৬ বলে ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭৭ রান করেন তিনি।
তবে থেমে থাকেননি দলনেতা মুশফিক। তামিম-সাকিবের খেলা একাই খেলে গেলেন তিনি। ধীরে ধীরে এগিয়ে যান সেঞ্চুরির দিকে। ভারতীয় বোলার অরুনের 'নো' বলে বুকে মারাত্মক চোট পান মুশফিক। এতে দমে যাননি এই তারকা। পূর্ণ করেছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। সামির বলে ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ১১৭ রান করেছেন তিনি। ১১৩ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় এই স্কোর করেন তিনি।
এছাড়া মুমিনুল হকের ২৩ রান ও জিয়াউর রহমানের ১২ বলে ১৮ রান উল্লেখযোগ্য। শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারানোয় নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময় ২৭৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ভারতের বোলার মোহাম্মাদ সামি ৪টি উইকেট পান।
খেলা
লড়াই করা টার্গেট দিল বাংলাদেশ
ভারতের বিপক্ষে খেলতে নামলেই যেন প্রাণ ফিরে পায় বাংলাদেশ। ২০০৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর গত এশিয়া কাপে জয় নিয়ে তার প্রমাণও রেখেছিল টাইগাররা।





