হয়ত কোনো বিশ্বকাপ শিরোপা নেই, কিন্তু নিউজিল্যান্ড নির্দ্বিধায় বিশ্বের সেরা দলগুলোর একটি। বিগত দুই বিশ্বকাপের ফাইনালেই খেলেছে কিউইরা। তাদের মাটিতে তাদের বিপক্ষে ওয়ানডে খেলা তাই চাট্টিখানি কথা নয়। ২০২৩ বিশ্বকাপে ভালো করতে হলে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ভালো করতে হবে- এমন মন্ত্রই শিষ্যদের কানে পৌঁছে দিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ।

বাংলাদেশের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো টাইগারদের নিয়ে এবারই প্রথম এলেন নিউজিল্যান্ডে। শিষ্যদের উৎসাহ যোগাতে তার চেষ্টার কমতি নেই। ২০২৩ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ভারতে, যেখানকার পরিবেশ বা কন্ডিশন বাংলাদেশের জন্য অনেকটাই চেনা। সেখানে ভালো করতে হলে কিউইদের হারাতে হবে তাদের মাটিতে- এমন অভিমত টাইগার কোচের।

নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের প্রথম জয়ের খোঁজে মরিয়া ডমিঙ্গো বলেন, “বাংলাদেশ আগে যা করতে পারেনি, তা করার জন্য এবার দারুণ এক সুযোগ। আমরা সবাই মুখিয়ে আছি। নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশকে নিয়ে এটাই আমার প্রথম সফর। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে এসেছিলাম। আমি জানি, সফরের জন্য নিউজিল্যান্ড কঠিন জায়গা। তবে এই তরুণদের জন্য এটা দারুণ এক সুযোগ।”

“আর তিন বছর পরই একটি বিশ্বকাপ আছে। নিউজিল্যান্ড বিশ্বের সেরা দলগুলোর একটি। ভারতের মত জায়গায় বিশ্বকাপে যদি আপনি সত্যিই কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী হতে চান, তাহলে এমন সিরিজে আপনাকে খুব ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।” বলেন তিনি।

নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের মূল প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে সেখানকার অচেনা কন্ডিশন। ডমিঙ্গো অবশ্য সন্তুষ্ট- কারণ কোয়ারেন্টিন ইস্যুতে দীর্ঘ সময় ধরে নিউজিল্যান্ডে অবস্থান করছে টাইগাররা। এতে অচেনা পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি যথেষ্ট অনুশীলনেরও সুযোগ মিলেছে।

তিনি বলেন, “কোয়ারেন্টিন আপনাকে প্রস্তুতির জন্য একটু বেশি সময় এনে দেয়। ক্রাইস্টচার্চে কিছু অনুশীলনের পর কুইন্সটাউনে দারুণ এক সপ্তাহ কাটিয়েছি। ভালো প্রস্তুতি হয়েছে। ছেলেরা দারুণভাবে প্রস্তুত। লকডাউন কঠিন ছিল, তবে ছেলেদের কোনো অভিযোগ নেই। গত তিন সপ্তাহ ছেলেরা যেভাবে কাজ করেছে, আমি সত্যিই তাদের নিয়ে গর্বিত।”বিডিক্রিকটাইম

এমবি