টাইগারদের অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফি বিন মুর্তজার শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেছেন লিটন দাস। এতদিন দেড়শ রানের ক্লাবে একাই ছিলেন ওপেনার তামিম ইকবাল। তাও তার একার ছিলো দুইটি দেড়শ রানের ইনিংস।
যার সবশেষটি ছিলো আবার চলতি সিরিজেরই দ্বিতীয় ম্যাচে। আগের রেকর্ড টিকেছিল ১১ বছর। পরের রেকর্ড টিকল মাত্র দুই দিন। তামিম ইকবালের ১৫৮ ছাড়িয়ে গেলেন লিটন দাস।
তামিম রেকর্ড গড়েছিলেন মঙ্গলবার (০৩ মার্চ)। আর তিনদিনের মাথায় শুক্রবার (০৬ মার্চ) সে রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন লিটন দাস। সেটিও তামিম ইকবালকে অপরপ্রান্তে রেখেই।
এছাড়া টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেছেন তামিম ইকবাল।
৯৮ বলে সেঞ্চুরিতে পৌঁছান তামিম। চারটি ছক্কা ও পাঁচ বাউন্ডারিতে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৩তম সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন তামিম।
শুক্রবার (০৬ মার্চ) সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে।
বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে মাত্র ৪০.৫ ওভার ব্যাট করেই লিটন খেলেছেন ১৪৩ বলে ১৭৬ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস। এই ব্যাটিংয়ে তিনি ভেঙেছেন যেমন তামিমের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড, তেমনি নতুন করে গড়েছেন এক ইনিংসে সর্বোচ ছয়ের রেকর্ডটিও।
লিটনের এই ইনিংসে ছিলো ১৬ চার ও ৮ ছয়ের মার। এর আগে বাংলাদেশের পক্ষে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছয়ের রেকর্ড ছিলো তামিমের, ৭টি। সেই রেকর্ড ভেঙে আজ ৮টি ছক্কা মারলেন লিটন।
বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস
১. লিটন দাস - ১৭৬ বনাম জিম্বাবুয়ে (২০২০); তামিম ইকবাল - ১৫৮ বনাম জিম্বাবুয়ে (২০২০); তামিম ইকবাল - ১৫৪ বনাম জিম্বাবুয়ে (২০০৯); ৪. মুশফিকুর রহীম - ১৪৪ বনাম শ্রীলঙ্কা (২০১৮); ইমরুল কায়েস - ১৪৪ বনাম জিম্বাবুয়ে (২০১৮)
বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, লিটন দাস, মোহাম্মদ নাঈম শেখ, আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), তাইজুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান।
জিম্বাবুয়ে একাদশ: শন উইলিয়ামস (অধিনায়ক), তিনাশে কামুনহুকামউই, ব্রেন্ডন টেইলর, সিকান্দার রাজা, ওয়েসলি মাধেভেরে, রেজিস চাকাভা, রিচমন্ড মুতুমবামি, তিনোতেন্দা মাতুমবোদজি, ডোনাল্ড তিরিপানো, কার্ল মুম্বা ও চার্লটন টিসুমা।
এমবি





