নেই নেই নিয়ে বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ মিশন শুরু।

বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীরা কি ভেবেছিল ওমানে বিশ্বকাপের শুরুতেই এমন ভরাডুবি হবে বাংলাদেশের।

প্রস্তুতি ম্যাচে শ্রীলঙ্কা আর আয়ারল্যান্ডের কাছে হার। বিশ্ব আসরের শুরুর ম্যাচে আইসিসির সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডের কাছে ৬ রানের লজ্জার হার।

আজ মঙ্গলবার ( ১৯ অক্টোবর) বিশ্বকাপে টিকে থাকতেই বাঁচা-মরার লড়াইয়ে রাতে ওমানের আল আমেরাতে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় স্বাগিতক ওমানের বিপক্ষে মাঠে নামবে টিম বাংলাদেশ।

বাছায় পর্ব পার হতে এই ম্যাচটা জিততেই হবে বাংলাদেশকে। এ ছাড়া দ্বিতীয় কোন অপশন নেই টাইগারদের সামনে।

অতীতে ফিরে তাকালে আশার আলো দেখতেই পারে বাংলাদেশ। অন্তত পরিসংখ্যান তাদের পক্ষেই কথা বলে।

শেষবার ভারতের ধর্মশালায় ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সে ম্যাচে জয় আসে ৫৪ রানে। পরবর্তীতে পরিসংখ্যানের খাতা আর লম্বা করতে পারেনি এ দুদল।

নির্ধারিত ২০ ওভারে সে ম্যাচে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৮০। বৃষ্টির বাগড়ায় ম্যাচ ১২ ওভারে নেমে আসলে সে ম্যাচে ওমানের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ১২০।

জবাবে ওমানের স্কোর গিয়ে ঠেকে ৯ উইকেটে ৬৫ রানে। ওমানের বিপক্ষে একমাত্র ম্যাচে সহজ জয় তুলে নেওয়া বাংলাদেশের সামনে আজ বাঁচা-মরার লড়াই।

অবশ্য কিছু বিষয়ের পরিবর্তন ঘটেছে এবারের ম্যাচে। সে ম্যাচে টি-টোয়েন্টিতে ১ম বারের মতো সেঞ্চুরি হাঁকানো বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল নেই এই ম্যাচে।

১০৩ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১০ চার ও ৫ ছক্কায়। তামিম বিশ্বকাপের আগেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে।

নেই সে ম্যাচে থাকা মাশরাফী বিন মোর্তজা, সাব্বির রহমান, আল আমিন হোসেন ও আবু হায়দার রনি।

এদিকে বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল বিশ্বকাপ শুরুর আগে নিজের কলামে লিখেন,

বাংলাদেশ নিজের প্রস্তুতি ম্যাচে দুটোতেই হেরেছে। শ্রীলংকা আর আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরে গেলাম আমরা।

ওমান ‘এ’ দলের সঙ্গে জিতেছি। কিন্তু শ্রীলংকা না হলেও আয়ারল্যান্ডের কাছে হারটা মেনে নেওয়া যায় না।

বিশ্বকাপের আগে টানা ৩ টি সিরিজ জেতায় বাংলাদেশ দলের বেশি আত্মবিশ্বাসী হওয়ার কিছু নেই বলে মনে করেন আশরাফুল।

বললেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ২টি সিরিজে মিরপুরের ডেড উইকেটে খেলে আমরা জিতেছি।

ব্যাটাররা রান পায়নি। এমন উইকেটে খেলা হয়েছে যে, বোলারদের পক্ষেও পূর্ণ আত্মবিশ্বাস অর্জন সম্ভব নয়।

কিন্তু ওমানের মাসকাটের উইকেটে প্রচুর রান আছে। আর এমন মুহূর্তে বাংলাদেশের বেশিরভাগ ব্যাটার ফর্মে নেই। লিটন দাস, মোহাম্মদ নাঈম থেকে শুরু— সবার ব্যাটেই খরা।

নুরুল হাসান কিছুটা রান পেয়েছে ওয়ান ‘এ’ দলের বিপক্ষে। সেটি কী যথেষ্ট?

আসলেই আমি বাংলাদেশের ব্যাটারদের ফর্ম নিয়ে চিন্তিত। টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের দায়িত্ব বেশি।’

এইচএন