দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া ১৪৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সফরকারীদের বোলিং তোপে ব্যাটিং বির্পযয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১১ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৬০ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। ক্রিজে আছেন সাকিব (২২) ও লিটন দাস (২)।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে অ্যাবোটের শেষ বলে উইকেটরক্ষক ডি ককের হাতে ক্যাচ আউট হন ৫ রান করা তামিম। পরের ওভারে রাবাদার পঞ্চম বলে সীমানার কাছে ডুমিনির তালুবন্দী হন ৭ রান করা সৌম্য।
সাকিব ও মুশফিক দলের হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। কিন্তু ডুমিনির বলে মিলারের হাতে মুশফিক ক্যাচ আউট হলে ভেঙে যায় তাদের ৩৭ রানের জুটি। মাঠ ছাড়ার আগে ১৯ বলে দুটি চারের সুবাদে ১৭ রান করেন মুশফিক।
১০ম ওভারের দ্বিতীয় বলে আবার সেই ডুমিনির শিকার সাব্বির। এবার ক্যাচ ধরেন উইকেটরক্ষক ডি কক।
পরের ওভারে ফানগিসোর প্রথম বলেই রুশোর হাতে ক্যাচ তুলে দেন নাসির। দ্রুতই পাঁচ উইকেট হারিয়ে মহাচাপে আছে স্বাগতিকরা।
রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান সংগ্রহ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী জুটি মাঠে টিকতে না পারলেও অধিনায়ক ডুপ্লেসিস ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে ৭৯ রান করেছেন তিনি। ৬১ বলে ৮টি চারের সুবাদে এই স্কোর করেন।
এদিন ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। উদ্বোধনী ওভারে আরাফাত সানির শেষ বলে মাশরাফির হাতে ক্যাচ আউট হন ওপেনার ডি ভিলিয়ার্স (২)।
চতুর্থ ওভারে নাসির হোসাইনের শেষ বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন ৮ বলে ১২ রান করা ডি কক।
তবে ডুমিনিকে সঙ্গে নিয়ে এক শক্ত জুটি গড়ে তোলেন ওয়ানডাউনে মাঠে নামা ডু প্লেসিস। অবশেষে ১২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ডুমিনিকে বিদায় করে দিয়ে ৪৬ রানের জুটি ভেঙে দেন আরাফাত সানি। নাসিরের হাতে দুর্দান্ত ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ২২ বলে ১৮ রান করেছেন ডুমিনি।
১৪তম ওভারে সাকিবের দ্বিতীয় বলে এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে পড়ে মাঠ থেকে বিদায় নিয়েছেন ডেভিড মিলার (১)।
তবে ডুপ্লেসিসকে যোগ্য সঙ্গ দেন রুশো। শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে অধিনায়কের সঙ্গে ৫৮ রানের জুটি গড়ে তোলেন তিনি। এতে ৩১ রান অবদান রাখতে ২১ বলে দুটি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকান।
জেডআই





