সোমবার (১৭ আগস্ট) আয়োজিত কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার পাশাপাশি এগুলোর সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণার মান বাড়ানোর বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

কিউএস রেটিং নিয়ে প্রশ্ন

বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিংয়ে কিউএস রেটিংয়ের পরিধি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যেই কেন কিউএস রেটিং সীমাবদ্ধ থাকবে, তা ভাবা দরকার।

সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে র‌্যাংকিংয়ের আওতায় আনা হলে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান আরও ভালো হতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি নিয়ে প্রশ্ন

দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিনেও পিএইচডি ডিগ্রি চালু না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী। এত বছরেও এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি কেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

গবেষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সক্ষমতা নিয়েও কথা বলেন এহছানুল হক মিলন। তার মতে, দেশে অনেক মেধাবী গবেষক রয়েছেন, যারা বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও গবেষণায় নিজেদের মেধা কাজে লাগাচ্ছেন।

কিন্তু দেশের এসব মেধাবী গবেষককে চিহ্নিত করে দেশেই তাদের দক্ষতা কাজে লাগাতে না পারা বাংলাদেশের জন্য একটি ব্যর্থতা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা সক্ষমতা বাড়ানো এবং মেধাবী গবেষকদের দেশেই কাজে লাগানোর বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নেওয়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

এস