বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠকে সরকার থেকে সরকার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের গানভর ইউএসএ এলএলসির কাছ থেকে ২০২৬ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালে পাঁচ কার্গো, ২০২৭ সালে ছয় কার্গো এবং ২০২৮ সালে তিন কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এসব এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হবে জেকে এম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউতে শূন্য দশমিক শূন্য ৮৭৫ মার্কিন ডলার যোগ করে।
এ ছাড়া ২০২৮ সালে আরও তিন কার্গো এবং ২০২৯ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ১০ কার্গো করে এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব চালানের দাম নির্ধারণ হবে ১২১ শতাংশ এইচএইচ সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউতে ৫ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার যোগ করে।
বাকি তিন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ছয় কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে যুক্তরাজ্যের ব্ল্যাককিউব ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কাছ থেকে দুই কার্গো এলএনজি প্রতি এমএমবিটিইউ ১৫ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার দরে কেনা হবে।
ওমানের ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসির কাছ থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনা হবে জেকে এম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউতে শূন্য দশমিক ৫৪ মার্কিন ডলার যোগ করে।
এ ছাড়া হংকংয়ের ঝেনইউ শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এসব এলএনজির দাম ধরা হয়েছে প্রতি এমএমবিটিইউ ১৪ দশমিক ৯৫ মার্কিন ডলার।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে জ্বালানির নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
এ পরিস্থিতিতে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি—দুই ধরনের ব্যবস্থায় এলএনজি সংগ্রহের মাধ্যমে দেশের গ্যাসের চাহিদা পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এস