রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন প্রসিকিউটর তামীম।
তিনি বলেন, ক্রিমিনাল জুরিসপ্রুডেন্সে পলাতক থেকে দণ্ডিতরা ফিরে সবসময় একটা কথাই বলে, সেটা হলো আমি মামলার এই প্রসিডিং সম্পর্কে জানতাম না। যেহেতু আমার অগোচরে বিচার হয়েছে, সুতরাং আমি এই তামাদি মওকুফ চাই। এই যে লম্বা বিলম্বের পরে আমি এসেছি আদালতের সামনে, আমি যেহেতু জানতাম না, আমাকে ডিলেটা ক্ষমা করে দেন- আমি বিচারের সম্মুখীন হতে চাই।
তিনি বলেন, পলাতক শেখ হাসিনাসহ এ মামলার আসামিরা এই আবেদনটা কোনোভাবেই করতে পারবেন না, কারণ তারা এ মামলা সম্পর্কে জানেন এবং বিদেশে বসে বিভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছেন। ফিরে আসার কথা বলছেন এবং মামলাকে তারা মিডিয়ার মাধ্যমে ডিফেন্ড করছেন। সুতরাং তারা কিন্তু ট্রাইব্যুনালে এসে এই সুযোগটা আর নিতে পারবেন না।
জুলাই গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে গত বছরের ১৭ নভেম্বর পলাতক শেখ হাসিনা ও তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তাদের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে শহীদ ও ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্যে বিতরণের আদেশ দেওয়া হয়। এ মামলার অপর আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। রায়ের এক মাসের মধ্যে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রয়েছে। সেক্ষেত্রে আসামিদের আত্মসমর্পণ করে সশরীরে করতে আপিল করতে হবে।
এস