বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসির নেতৃত্বে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) সদস্যরা ওয়্যারহাউজটিতে অভিযান চালান।

অভিযানে প্রতিষ্ঠানের রেজিস্টার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনুমোদিত সফটওয়্যার এবং গুদামে থাকা পণ্যের তথ্য মিলিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা।

যাচাইয়ের সময় সফটওয়্যারে Exbond হিসেবে দেখানো হলেও ওয়্যারহাউজে ১৪৪ ক্যান বিয়ার, ১২ বোতল হুইস্কি ও ছয় বোতল Nemiroff পাওয়া যায়। অর্থাৎ, নথিতে এসব পণ্য প্রতিষ্ঠান থেকে ছাড় হয়েছে দেখানো হলেও সরেজমিনে সেগুলো গুদামেই সংরক্ষিত ছিল।

এ ছাড়া ২ হাজার ২৫০ কার্টন Heineken Beer ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার সিস্টেমে Inbound হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে অভিযান চালিয়ে ওয়্যারহাউজে এসব পণ্যের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

অভিযানে ওয়্যারহাউজটির চারটি ফ্লোরের মধ্যে দুইটির ক্ষেত্রে কাস্টমসের প্রয়োজনীয় অনুমোদনসংক্রান্ত তথ্যও পাওয়া যায়নি।

এভাবে পণ্যের হিসাব ও সরেজমিন মজুদের মধ্যে অসঙ্গতি এবং অনুমোদনসংক্রান্ত তথ্যের ঘাটতি পাওয়ার পর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ডিএনসির উপস্থিতিতে ওয়্যারহাউজটি সিলগালা করে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযানে পাওয়া অনিয়মগুলো আরও যাচাই করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

এস