শুক্রবার গভীর রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ জামালপুরের বাড়িতে নেওয়া হয়। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। রাতভর বাড়িগুলোতে ছিল শোকের মাতম।
সদর উপজেলার রানাগাছা ইউনিয়নের দড়িহামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামে জানাজা শেষে দাফন করা হয় রাজমিস্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন লেবু (৫০) ও তার মা রাশিদা বেগমকে (৭০)। একই ইউনিয়নের গোড়ারকান্দা গ্রামে জানাজা হয় মোফাজ্জল হোসেনের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে মর্জিনা বেগম (২৫) ও তার পাঁচ বছরের ছেলে মিনানের।
অন্যদিকে সিএনজিচালক সুজন আলী (৪৪) গোবিন্দবাড়ি গ্রামে শুক্রবার রাতেই জানাজা শেষে দাফন করা হয়। সদর উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের বাদেচান্দি গ্রামে জানাজা শেষে দাফন করা হয় আক্রাম আলী (৫১) ও তার স্ত্রী মমতা বেগমকে (৩৯)।
শুক্রবার দুপুরে মা, মেয়ে ও নাতিকে সঙ্গে নিয়ে গাজীপুরের উদ্দেশে জামালপুরের বাড়ি থেকে রওনা হন মোফাজ্জল হোসেন লেবু। জামালপুর থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত সিএনজিতে যাওয়ার পর বাসে করে গাজীপুর যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের।
তবে ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা জামালপুরগামী রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিএনজিটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একই পরিবারের চারজনসহ সাতজনের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর বাসটি ঘটনাস্থলে রেখে চালক পালিয়ে যান। ঘটনার পর ঢাকা-জামালপুর রুটে রাজীব পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এস











