রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—সুমন মোল্লা (২১) ও মো. ওসমান ব্যাপারী (৩১)। রায় ঘোষণার সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরী রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলেও প্রেমিক না আসায় সে তার মামাতো ভাই রিয়াজ ব্যাপারীকে ফোন করে তাকে বাড়িতে নিয়ে যেতে বলে।
রিয়াজ তাকে ফরিদপুর শহরের ভাটিলক্ষ্মীপুর মহল্লায় তার দুই বন্ধু সুমন মোল্লা ও ওসমান ব্যাপারীর বাসায় নিয়ে যান। পরদিন সকালে রিয়াজ বাইরে চলে গেলে তার দুই বন্ধু ওই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলায় সুমন, ওসমান ও রিয়াজকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত শেষে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাফর ইকবাল ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
রায়ের বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, এ রায় নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধের মাত্রা কমাতে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এবং অপরাধীরা বুঝতে পারবে, অপরাধ করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।
এস