বৈঠকে আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় উপনির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমন বৈঠক নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমন গোপন বৈঠকের অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসেন। এসব সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় কর্মরত ৩৮ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হন বিএনপির প্রার্থী এবং রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমীন। এসব কর্মকর্তারা সাধারণত নির্বাচনে প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আরও জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রাজু আলী সরকারি কর্মকর্তাদের ওই দলের নেতৃত্ব দেন। রাজু আলী ‘জাতীয়তাবাদী ডিপ্লোমা কৃষিবিদ’ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বৈঠকের বিষয়ে জানতে মির্জা ফয়সাল আমীনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমীন ও ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের মধ্যে।
এনএইচ











