ধস নেমেছে রেমিট্যান্স প্রবাহে। অর্থবছর এবং মাসওয়ারি দুই হিসাবেই নেতিবাচক ধারায় প্রবাহিত হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা। চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাস (জুলাই-এপ্রিল) এবং মে মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে উভয় ক্ষেত্রেই বিদেশ থেকে পাঠানো প্রবাসীদের আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনশক্তি রপ্তানি কমে যাওয়া এবং সে দেশগুলোতে বিদ্যমান রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে জনশক্তি রফতানিতে অনীহা ও সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতাই ধসের জন্য দায়ি।
জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) রেমিট্যান্স কমেছে ৪.৭৭ শতাংশ। এ সময় বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা এক হাজার ১৭২ কোটি ৭১ লাখ ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। গত অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ২৩১ কোটি ৫৭ লাখ ডলার।
মাসের হিসাবেও রেমিট্যান্স কমেছে। গত মার্চে রেমিট্যান্স এসেছিল ১২৮ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। এপ্রিলে এসেছে ১২৩ কোটি ৩২ লাখ ডলার। তবে গত বছরের এপ্রিলের তুলনায় চলতি বছরের এপ্রিলে রেমিট্যান্স বেড়েছে। গত বছর এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছিল ১১৯ কোটি ৪৪ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ করা পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) ১ হাজার ১৭২ কোটি ৭১ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৩৪৯ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। সে হিসেবে গত অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স কমেছে ১৭৬ কোটি ৭৪ লাখ ডলার।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনশক্তি রপ্তানি কমে যাওয়া, সে দেশগুলোতে বিদ্যমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, বেসরকারি পর্যায়ে জনশক্তি রপ্তানিতে অনীহা, সর্বোপরি সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতায় রেমিট্যান্স প্রবাহ নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। এছাড়া বেশ কিছুদিন ধরে ডলারের বিপরীতে টাকা শক্তিশালী হওয়ায় প্রবাসীরা এখন আর আগের মতো অর্থ দেশে পাঠাতে আগ্রহী হচ্ছে না।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৯ কোটি ৭৪ লাখ ডলার, যা মার্চে ছিল ৪০ কোটি ১২ লাখ ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, যা আগের মাসে ছিল ১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার।
বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৮০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। যেখানে মার্চ শেষে এসেছিল ৮৫ কোটি ১৮ লাখ ডলার। আর বিদেশি খাতের ৯টি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। যা মার্চে ছিল দুই কোটি ০৫ লাখ ডলার।
[b]ঢাকা, ৬ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
রেমিট্যান্স প্রবাহে ধস
ধস নেমেছে রেমিট্যান্স প্রবাহে। অর্থবছর এবং মাসওয়ারি দুই হিসাবেই নেতিবাচক ধারায় প্রবাহিত হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনশক্তি রপ্তানি কমে যাওয়া এবং সে দেশগুলোতে বিদ্যমান রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে জনশক্তি রফতানিতে অনীহা ও সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতাই ধসের জন্য দায়ি
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ, ব্যাংকিং লেনদেনে কি প্রভাব পড়বে?
সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। তবে ওয়েবসাইট বন্ধ থাকলেও দেশের ব্যাংকিং লেনদেন ও কোর ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জরুরি নিরাপত্তা ইস্যুতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
জরুরি নিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
আগামীকাল থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে থাকছে দেশের ব্যাংক ও শেয়ারবাজার। ছুটির আগে সোমবার শেষ কার্যদিবস আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর)। এরপরে টানা পাঁচদিন ছুটি।
আজ খোলা থাকবে সব ব্যাংক
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে এর আগে আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) ব্যাংকগুলো স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে। এছাড়া শেয়ারবাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খোলা থাকবে।
দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকছে। আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন দুর্গাপূজার ছুটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পরের দুই দিন ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
















