শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যমতে, মোটা পাইজাম চালের দাম কেজি প্রতি ২ টাকা বেড়ে ৫৬-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি ও চিকন চালের দাম প্রকারভেদে ২-৫ টাকা বেড়ে ৭০-৮৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের চাল বিক্রেতা জহিরুল ইসলাম বলেন, সব ধরণের চালের দাম ২-৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আমনের নতুন চাল বাজারে আসলে দাম কিছুটা কমার আশা করা যায়।
অন্যদিকে বাজারে সবজি, ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কিছুটা কমেছে।
প্রতি কেজি আলু ২৮ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, মূলা ৩০-৪০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, শিম ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ টাকা, শসা ৮০-৯0 টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, ধনিয়াপাতা ১২০ টাকা ও পেঁয়াজ পাতা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস ফুলকপি ৩০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা, লাউ ৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
মহাখালী কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা এনামুল হক বলেন, বাজারে শীতকালীন সবজির প্রচুর আমদানি বেড়েছে, ফলে দাম আগের চেয়ে কম।
খুচরা বাজারে প্রতি ডজন বাদামি রঙের ডিমের দাম ২০ টাকা কমে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রায় ২০ টাকা কমে ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি। দাম কিছুটা কমে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকা কেজিতে ।
অপরিবর্তিত রয়েছে তেল ও চিনির দাম। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯০ টাকা এবং চিনির দাম ১০৭ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। তবে গত সপ্তাহ থেকে চিনি ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, উৎপাদনের তুলনায় তেমন কমেনি শীতকালীন সবজির দাম। কারওয়ান বাজারে সবজি কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী হামিদুর রহমান বলেন, সবজির দাম আরও কমা উচিত। অস্থির বাজারে অন্তত দেশীয় পণ্যের দাম ক্রেতাবান্ধব হওয়া দরকার।
বিশেষ প্রতিবেদন/এমআই





