১০ কারখানার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ক্রেতাদের সংগঠন অ্যাকোর্ড। বাংলাদেশের ৬৮টি তৈরি পোশাক কারখানা পরিদর্শন শেষে সংগঠনটি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে অ্যাকোর্ড এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
অ্যাকোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১০টি কারখানার বৈদ্যুতিক ত্রুটিপূর্ণ ওয়্যারিং, পর্যাপ্ত ফায়ার ডোর না থাকা, ফায়ার অ্যালার্ম অকেজো হওয়াসহ বেশ কিছু ত্রুটি ধরা পড়েছে। আর এ ত্রুটিগুলো সংশোধনের জন্য কারখানা মালিকদের ৩ থেকে ৬ মাস সময় দেয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাকর্ডের নির্বাহী পরিচালক রব ওয়েজ বলেন, আমরা ১০টি কারখানার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছি। ফায়ার এক্সিট এবং বৈদ্যুতিক তারের ওয়্যারিংয়ের ক্ষেত্রে বেশ ত্রুটি চোখে পড়েছে। ফ্যক্টরিগুলোর ফায়ার অ্যালার্ম অকেজো অবস্থায় পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ফ্যাক্টরির ভেতরে কাঁচামালের সংরক্ষণ ব্যবস্থা পর্যপ্ত নয়।
রব ওয়েজ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, কোন কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে তার দায়িত্ব মালিককেই নিতে হবে। কারণ আমরা তো কারখানার ঝুঁকি দূর করতেই কাজ করছি। এখন কোন কারখানা যদি খুব ঝুঁকিপূর্ণ হয় তাহলে তা বন্ধ করে দিতে হবে।’
রব ওয়েজ দাবি করেন, অ্যাকোর্ড তার নিয়ম অনুসারেই কাজ করছে। আর এখানে বিদেশি ইঞ্জিনিয়ারদের পাশাপাশি দেশি ইঞ্জিনিয়াররাও কাজ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইন্ডাস্ট্রিজ অলের সাধারণ সম্পাদক রায় রমেশ বলেন, আমাদের গার্মেন্টস খাতকে সারা বিশ্বে নিরাপদ ও টেকশই করে গড়ে তুলতে চাই। রানা প্লাজার কারণে নষ্ট ভাবমূর্তিও উদ্ধার করতে চাই।’ এজন্য দেশি-বিদেশি সব পক্ষগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন অ্যাকর্ডের প্রধান নিরাপত্তা পরিদর্শক ব্রাড লোয়েন।
উল্লেখ্য, অ্যাকর্ড আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশের ১৫০০ গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শন করবে। এর মধ্যে ৭৮টির পরিদর্শন শেষ হয়েছে।
[b]ঢাকা, ১১ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
অর্থনীতি
১০ কারখানার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে অ্যাকোর্ড
১০ কারখানার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ক্রেতাদের সংগঠন অ্যাকোর্ড। বাংলাদেশের ৬৮টি তৈরি পোশাক কারখানা পরিদর্শন শেষে সংগঠনটি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।





