গত এক বছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি)বেসরকারি খাতের অবদান বেড়েছে। এ সময়ে জিডিপিতে এ খাতের অবদান বেড়েছে দশমিক ৮১ শতাংশ। একই সঙ্গে বেড়েছে বিনিয়োগের পরিমাণও।

এ ছাড়া বিভিন্ন কারণে জিডিপি হিসাবের বাইরে থাকে ১০ হাজার ৯০৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। গৃহপালিত প্রাণি ও গাছপালা থেকে প্রতি বছর এই পরিমাণ টাকা অর্থনীতিতে যোগ হলেও তা এতদিন হিসাবের বাইরে ছিল।

মঙ্গলবার পরিসংখ্যান ব্যুরোর এক জরিপ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অডিটোরিয়ামে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও ব্যবসা শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে গত এক বছরের বিনিয়োগ পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফাতেমা এনডিসি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) এম এ মান্নান হাওলাদার, বিবিএস উপ-পরিচালক মো. বাইতুল আমীন ভুঁইয়া প্রমুখ।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ।

জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশ ও বইয়ের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পরিসংখ্যান ব্যুরোর ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং শাখা।

জরিপের সংক্ষিপ্ত ফলাফল উপস্থাপন করেন কর্মসূচি পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল খালেক।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট যে পরিমাণ অর্থের হিসাব জিডিপির বাইরে থাকছে তার মধ্যে পরিবারভিত্তিক পশুপালন থেকে ৯ হাজার ৫৯১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, পরিবারভিত্তিক গাছপালা থেকে ১ হাজার ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা, খামারভিত্তিক পশু পালন থেকে ২৯৮ কোটি ৮০ লাখ, চা বাগান থেকে ৯ কোটি ৮০ লাখ এবং রাবার বাগান থেকে ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কানিজ ফাতেমা বলেন, পরিসংখ্যান ব্যুরো ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির হিসাব বের করেছে বলেই সরকার ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের স্বপ্ন দেখছে। এটি আমাদের বড় অর্জন।

তিনি বলেন, আমাদের সক্ষমতা রয়েছে। আমরা অবশ্যই ৭ শতাংশ হারে জিডিপি অর্জনে সক্ষম।

এমকে