সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশিদের ব্যাংক একাউন্ট বেড়েছে ৬৫ শতাংশ। মালয়েশিয়ায় চীনাদের পর সবচেয়ে বেশি বাড়ি বানিয়েছে বাংলাদেশিরা।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘কর বৃদ্ধি নয় বরং অর্থ পাচার বন্ধ হোক সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: ব্যক্তিখাতের বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরিতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমুহকে শক্তিশালী করার বিকল্প নেই’শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে ইকুইটিবিডি’র চীফ মডারেটর রেজাউল করিম চৌধুরী এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে ইকুইটিবিডি।

দেশের ব্যাংকগুলোতে সঞ্চয় বাড়ছে না উল্লেখ করে রেজাউল করিম বলেন, ‘বিদেশে প্রতিবছর যে টাকা পাচার হয় তা দিয়ে বছরে দু`টি পদ্মা সেতু তৈরি করা সম্ভব। অথচ এই টাকা বিদেশে পাচার করে ওইসব দেশের ব্যাংক ভরা হচ্ছে। বিদেশের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ বেড়েই চলেছে।

সংগঠনের গবেষক আহসানুল করিম বাবর ১১ দফা প্রস্তাব দিয়ে বলেন, ‘মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যেসব বাংলাদেশি নাগরিকত্ব নিয়েছে তাদের সব অর্থনৈতিক তথ্যের শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে। সুইজারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ব্যাংক লেনদেনের স্বচ্ছতার ওপর আন্ত:দেশীয় চুক্তি করতে হবে। বেনামে সম্পদ কেনার ক্ষেত্রে ভারতের পথ অনুসরণে আইন করতে হবে।’

গ্লোবাল ফিন্যানশিয়াল ইনটিগ্রিটি (জিএফআই)- এর ২০১৫ সালের রিপোর্টের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘২০০৪ সাল থেকে ২০১৩ এই দশ বছরে বিল কারচুপি, ঘুষ, দুর্নীতি, আয়কর গোপন ইত্যাদির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার হয়েছে ৫ হাজার ৫৮৭ কোটি  ৭০ লাখ ডলার। প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার এদেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের নির্বাহী কমিটির সদস্য জায়েদ ইকবাল খান বক্তব্য রাখেন।

এফএফ