১২২ জন আইনের প্রফেসর গাঁজাকে বৈধ করার দাবি জানিয়ে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন৷ তাঁদের মতে, মাদক দমনের ব্যাপারে সরকারি প্রচেষ্টা তেমন কার্যকর হচ্ছে না৷ তাই সংসদে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা ও আলোচনা করা প্রয়োজন৷
আনুমানিক ২০ থেকে ৪০ লক্ষ জার্মান নিয়মিত ক্যানাবিস বা মারিজুয়ানা সেবন করেন৷ সাদা বাংলায় যাকে বলা হয় গাঁজা৷ এটা অবশ্য দণ্ডনীয় অপরাধ নয়৷ কিন্তু গাঁজা বিক্রি করা বা গাছ লাগানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ৷ কিন্তু সাজার ভয়ে গাঁজা সেবন করা থেকে বিরত হচ্ছেন না সেবনকারীরা৷ অর্থাৎ এতে আসল উদ্যেশ্য হাসিল হচ্ছে না, বলেন ব্রেমেন ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন প্রফেসর লোরেনৎস ব্যোলিংগার৷ বছর দুয়েক আগে তিনি একটি উদ্যোগ শুরু করেন৷ এতে যোগ দেন ১২০-এরও বেশি প্রফেসর৷ তাঁরা সবাই চান ক্যানাবিসকে বৈধ করা হোক৷
[b]সংসদে আলোচনার আহ্বান[/b]
২০১৩ সালের নভেম্বরে সংসদে বিষয়টি নিয়ে একটি কমিশন, অর্থাৎ সব ফ্র্যাকশনের একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তাঁরা৷ এখন এই ব্যাপারে সাড়াও পাওয়াও গিয়েছে৷ সবুজদল ও বামদল ডি লিংকের ফ্র্যাকশন সংসদে একটি কমিশন গঠন করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে৷ এসপিডির সাংসদদেরও কাছে টানার চেষ্টা করছেন ব্যোলিংগার৷ কমিশন গঠনের জন্য ১২০ জন সাংসদের সম্মতির প্রয়োজন৷ সংসদে বিরোধীদলের (সবুজ ও বামদলের) সাংসদদের সংখ্যা মোট ১২৭৷
সমাজে ক্যানাবিসকে ‘কোমল মাদক' বলে মনে করা হয়৷ কিন্তু যাঁরা এই মাদক সেবন করেন, তাঁদের অপরাধী বলে সমালোচনা করা হয়৷ এই মাদক কেনার জন্য কালোবাজারে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন তাঁরা৷ অনেকের জীবনে ভাঙন ধরে৷ একবার শাস্তি পেলে কালো দাগ পড়ে যায় জীবনে৷ শিক্ষানবিশির কাজ পেতে অসুবিধা হয়৷ ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল হয়ে যায়৷ সব মিলিয়ে বাঁকা পথে অগ্রসর হয় তাঁদের জীবন, বলেন প্রফেসর ব্যোলিংগার৷
[b]বিভিন্ন ধরনের মতামত[/b]
জার্মান সরকারের মাদকের ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত মারলেনে মর্টলার অবশ্য এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন৷ তাঁর মতে, ‘‘বিশেষ করে তরুণদের স্বাস্থ্যের ঝুঁকিটা খাটো করে দেখলে চলবে না৷ নিয়মিত ক্যানাবিস সেবনে স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে৷ এ থেকে আসক্তিও দেখা দিতে পারে৷''
প্রফেসর ব্যোলিংগার অবশ্য ভিন্নমত পোষণ করেন৷ তাঁর মতে, ক্যানাবিস বা গাঁজা সেইসব মানুষের জন্য বিপজ্জনক, যাঁদের আসক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ এই মাদক বৈধ হলে ঝুঁকি সম্পর্কে তরুণদের বোঝানো যাবে৷ অ্যালকোহল ও সিগারেটের ক্ষেত্রেও প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি রয়েছে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ
[b]ঢাকা, ২৭ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি) // টিআই[/b]
গাজাকে বৈধ করার দাবি জানালেন আইনজ্ঞরা!
১২২ জন আইনের প্রফেসর গাঁজাকে বৈধ করার দাবি জানিয়ে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন৷ তাঁদের মতে, মাদক দমনের ব্যাপারে সরকারি প্রচেষ্টা তেমন কার্যকর হচ্ছে না৷ তাই সংসদে বিষয়টি নিয়ে
গাজায় ইসরাইলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৭
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই শিশু ও এক দম্পতি রয়েছেন। এসব হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
গাজায় ইসরাইলি বর্বরতার ৩ বছর হামাস কি পুনরায় গাজা শাসন করতে পারবে?
ইসরাইলে গাজার সাবেক শাসকগোষ্ঠী হামাসের সেই ভয়াবহ হামলার তিন বছর পূর্ণ হলো আজ। ওই হামলার পর বদলে গেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা এখন অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জাতিসংঘে ড. খলিলুর রহমান সহায়তা ও সুরক্ষার অভাবে গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে
গাজার চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে, যার মধ্যে হাজার হাজার নিষ্পাপ শিশু রয়েছে। প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক সহায়তা ও সুরক্ষার অভাবে পুরো উপত্যকা আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট গাজায় নেতানিয়াহু সরকারের গণহত্যার ক্ষত থাকবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম
গাজায় ইসরাইলি অভিযানে সৃষ্ট ক্ষত ও মানসিক আঘাত ফিলিস্তিনিদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম বয়ে বেড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।
আল-জাজিরা গাজায় যা ঘটছে তা ভয়াবহ: ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
গাজায় যা ঘটছে, তা ভয়াবহ বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি বলেন, গাজার পরিস্থিতি নিয়ে এমন কয়েকজনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যারা সেখানে ছিলেন বা এখনো ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তাদের কাছ থেকে পরিস্থিতির ভয়াবহতার কথা শুনেছেন তিনি।
















