প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে আটক হলেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়াসহ আম-আদমি পার্টির (আপ) ৬০ বিধায়ক।
আজ রোববার সকালে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ৭ নম্বর রেসকোর্স রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
গত শনিবার নারীদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে দিল্লি পুলিশ সঙ্গম বিহারের আম আদমি পার্টির (আপ) বিধায়ক দীনেশ মোহানিয়াকে গ্রেপ্তার করে। ওই দিনই উপমুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দিল্লির গাজীপুর সবজি বাজার আকস্মিক পরিদর্শনে সবজি বিক্রেতাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়।
এসব ঘটনার প্রতিবাদে আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজে আত্মসমর্পণের লক্ষ্যে সিসোদিয়া ৬০ বিধায়ককে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে যাত্রা শুরু করেন। কিন্তু বাসভবনে পৌঁছার আগেই সিসোদিয়াসহ অন্যান্য বিধায়ককে আটক করে পার্লামেন্ট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
দিল্লির ডেপুটি পুলিশ কমিশনার যতীন নারওয়াল জানান,‘সিসোদিয়াসহ আপের সব বিধায়কদের আটক করা হয়েছে এবং তুঘলক রোড পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’ বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় রেসকোর্স মেট্রো স্টেশনে ঢোকা ও বেরোনোর পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর বাসার সামনে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। জারি করা হয় ১৪৪ ধারা।
যতীন নারওয়াল জানান,দিল্লির তুঘলক রোডের কাছে প্রথমে তাঁদের আটকায় পুলিশ। পরে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছ থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
এসব ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আপপ্রধান এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রোববার সকালে এক ট্যুইট বার্তায় তিনি লিখেন, ‘মণীশের বিরুদ্ধে গতকাল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ৭ রেসকোর্স রোডে মণীশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারেন্ডার করবে।’একইভাবে ট্যুইট করে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিসোদিয়াও। তিনি লিখেন, ‘প্রতিদিনই তারা (বিজেপি সরকার) আমাদের বিধায়কদের আটক করছে। আপ সরকারের সঙ্গে তাদের সমস্যা আছে কিন্তু আমাদের ভালো কাজে কেন তারা বাধা দিচ্ছে।’
এফএফ





