বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক মহড়া সোমবার শুরু করেছে আমেরিকা ও ফিলিপাইনের কয়েক হাজার মেরিন সেনা। দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত এলাকা নিয়ে ফিলিপাইনসহ প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে বেইজিংয়ের বিরোধ যখন তুঙ্গে তখন এ মহড়ায় নামল আমেরিকা এবং ফিলিপাইন।
১২ দিনের এ মহড়ায় ৩৫০০ মার্কিন এবং ফিলিপাইনের ১২০০ মেরিন ও নৌ সেনা অংশগ্রহণ করেছে। দক্ষিণ চীন সাগরের মুখোমুখি অবস্থিত ফিলিপাইনের পশ্চিমাঞ্চলীয় পালাওয়ান দ্বীপে এ মহড়া আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
অবশ্য, মহড়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে বিতর্কের কোনো যোগসূত্র নেই বলে দাবি করেছেন ফিলিপাইনের মেরিন মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জারবার অ্যান্থনি বেলোনিয়া। তিনি বলেন, ফিলিপাইনের নতুন মেরিন অবতরণ বাহিনীর সক্ষমতা দেখানোর জন্য এ মহড়া হচ্ছে। এ বাহিনীর ঘাঁটি পালাওয়ানে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কের কোনো সম্পর্ক নেই।
দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের ঢোকার মুখের প্রধান ঘাঁটি পালাওয়ানে অবস্থিত এবং এ ঘাঁটির সামরিক সক্ষমতা দিনে দিনে বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
চলতি বছরে মহড়ায় ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্র ও কামানের তাজা গোলা ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া, সাঁজোয়া বহর অবতরণ ও ছত্রী সেনা নামানোর অনুশীলনও চলবে। মহড়ায় অংশ নেয়ার জন্য গতকাল সুবিক ঘাঁটিতে ভিড়েছে উভচর আক্রমণে ব্যবহৃত মার্কিন রণতরী ইউএসএস পেলিলিওসহ দু’টো যুদ্ধজাহাজ।
দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে বিতর্ক বেড়ে ওঠার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে ফিলিপাইন এবং আমেরিকার সঙ্গে সামরিক মিত্রতা আরো ঘনিষ্ঠ করছে। সূত্র: আইআরআইবি
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ





