ইরান ও আফগানিস্তান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন তালেবান সরকার। মঙ্গলবার তালেবান সরকার দু’দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হওয়ার কথাও জানিয়েছে।

তালেবান কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র ও বর্তমান আফগান সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী জবিউল্লাহ মুজাহিদ এক বিবৃতিতে বলেন, আফগানিস্তান ও ইরানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে দু’দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। এছাড়া দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়ার কথাও বলা হয়েছে।

প্রায় ১৬ টি বিষয়ে আফগানিস্তান ও ইরানের কর্মকর্তারা একমত হয়েছেন। এর মধ্যে আছে ইসলাম কালা-ই-দোহারুন সীমান্তে কাজের সময় বাড়ানো। এ কাজের সময় বাড়ানো হলে পণ্যের আমদানি-রফতানি বাড়বে। এছাড়া দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য দু’দেশের পণ্য ও সেবার ওপর পুনরায় শুল্ক নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া জ্বালানি সরবরাহ নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

গত মাসে বিদেশী গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে ক্ষমতার পালাবদলের মধ্যেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করছে ইরান।

ওই বৈঠকে আফগানিস্তান ও ইরানের কর্মকর্তারা দু’দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো নিয়েও আলোচনা করেছেন। আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ইরান দেশটির স্বাথ্য ও পর্যটন খাতে সহায়তা করবে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে আফগানিস্তান ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। যদিও আফগানিস্তানের বর্তমান তালেবান সরকারকে পূর্ণ স্বীকৃতি দেয়নি ইরান। তথ্যসূত্র : ইয়েনি শাফাক।

এবিএস