মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইউক্রেন সংকটকে কেন্দ্র করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে প্রকৃত যুদ্ধে জড়াবে না ওয়াশিংটন। বুধবার এনবিসি নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, "ইউক্রেনে আমরা একটি সামরিক সংঘাতে লিপ্ত হতে যাচ্ছি না।"
আমেরিকা ক্রিমিয়ার কাছে মোতায়েনের জন্য গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ট্রুক্সটুন কৃষ্ণসাগরে পাঠানোর পর এ মন্তব্য করলেন ওবামা। ক্রিমিয়া উপকূল থেকে মাত্র কয়েকশ' কিলোমিটার দূরে রুমানিয়া ও বুলগেরিয়ার সঙ্গে যৌথ নৌ মহড়ায় অংশ নেয়ার জন্য ওই ডেস্ট্রয়ার পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।
ক্রিমিয়াকে নিজ ভূখণ্ডে অন্তর্ভূক্ত করার যে উদ্যোগ রাশিয়া নিয়েছে ওবামা তার নিন্দা জানালেও বলেছেন, এ ইস্যুতে যুদ্ধ শুরু করবে না তার দেশ। তবে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য রাশিয়ার ওপর মার্কিন সরকার চাপ প্রয়োগ করে যাবে বলে জানান তিনি।
গত রোববার ইউক্রেনের স্বশাসিত উপদ্বীপ ক্রিমিয়ার ৯৭% জনগণ রাশিয়ার সঙ্গে একীভূত হয়ে যাওয়ার পক্ষে রায় দেয়। এর পরদিন সোমবার একতরফাভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে ক্রিমিয়ার পার্লামেন্ট। এরপর মঙ্গলবার ক্রিমিয়াকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য চুক্তি সই করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
এ ঘটনার পরপরই রাশিয়া ও ক্রিমিয়ার বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর ভিসা ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট এনবিসি নিউজকে বলেন, "আমার মনে হয় ইউক্রেনও চাইবে না বর্তমান পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সংঘাতে যাক আমেরিকা। কারণ, যুদ্ধ লাগলে তা ইউক্রেনের জন্যও ভাল হবে না।" এর আগে ক্রিমিয়াকে রাশিয়ায় অন্তর্ভূক্তির পক্ষ সমর্থন করে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, ক্রিমিয়া সব সময় রাশিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল এবং তার সরকার একটি 'ঐতিহাসিক ভুল' সংশেধান করেছে।
[b]ঢাকা, ২০ মার্চ (টাইমনিউজবিডি) // টিআই[/b]
রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করবে না আমেরিকা: ওবামা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইউক্রেন সংকটকে কেন্দ্র করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে প্রকৃত যুদ্ধে জড়াবে না ওয়াশিংটন।
দ্য গার্ডিয়ান হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ মনে করেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ভারত-আমেরিকা কারও আধিপত্য মেনে নেব না : নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এবার আমরা দুটি ভোট দিয়েছি, কিন্তু এখনো গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হয়নি। আপনারা যারা প্রথমবার হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন, আপনাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। গণঅভ্যুত্থান হয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য। আমরা কারোরই আধিপত্য মেনে নেব না—ভারতেরও না, আমেরিকারও না।
হরমুজ প্রণালি আমেরিকার খেলার মাঠ নয়: ইরানি সামরিক বাহিনী
ইরানের সামরিক সদর দপ্তর সতর্ক করেছে যে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য ইরানের নির্ধারিত সামুদ্রিক পথ ব্যবহার করতে হবে। অন্যথায় পরিণতি ভোগ করতে হবে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আমেরিকা-ইরান চুক্তি: মধ্যস্থতা করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত পাকিস্তান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তিন মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং ধুঁকতে থাকা বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরাতে একটি যুগান্তকারী চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বলিষ্ঠ মধ্যস্থতা সোমবার বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্বনেতারা এ ঐতিহাসিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
যেভাবে ধনী হচ্ছেন আমেরিকার অনেক মানুষ
১৯৯৪ সালে গ্রেগ ফ্লিন যখন বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিজনেস স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেন, তখন আমেরিকায় ‘ডটকম’ বা ইন্টারনেট বিপ্লবের জয়জয়কার। তার সহপাঠীরা সবাই বড় বড় করপোরেট সংস্থায় যোগ দিয়ে রাতারাতি কাগজে-কলমে ‘মিলিয়নিয়ার’ বনে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ফ্লিন হাঁটলেন ভিন্ন পথে। এক বন্ধুর রেস্তোরাঁ ব্যবসায় সাহায্য করতে যোগ দিলেন তিনি। এর কয়েক বছর পর আমেরিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থার দারুণ অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফ্লিন নিজেই আটটি ‘অ্যাপলবিস’ রেস্তোরাঁ কিনে নেন।
















