বিখ্যাত বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান 'বোয়িং'কে ইরানের কাছে বিমানের যন্ত্রাংশ বিক্রির অনুমতি দিয়েছে আমেরিকা। ফলে, ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পর এই প্রথম বিমানের যন্ত্রাংশ বিক্রি করতে যাচ্ছে বোয়িং। শনিবার এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।
ইরানে বিমানের যন্ত্রাংশ সরবরাহে এতদিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছিল আমেরিকা। ফলে, পুরনো যন্ত্রাংশ দিয়েই চলছিল ইরানের বিমান পরিবহন। ইরানের পরিবহন বিমানের সবই ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের আগেকার। ফলে, প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে ইরানের বিমানে। গত ২৫ বছরে ইরানে দুই শতাধিক বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
গত বছরের নভেম্বরে জেনেভায় আমেরিকাসহ ছয় শক্তির সঙ্গে ইরানের একটি প্রাথমিক চুক্তির পর কিছু বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সম্মত হয় আমেরিকা। এরই অংশ হিসেবে বিমানের যন্ত্রাংশ বিক্রয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হলো। চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান ছয় মাসের জন্য পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত রাখতে সম্মত হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব হয়। তখন তেহরানস্থ মার্কিন দূতাবাস ও এতে থাকা ৫২ জন আমেরিকানকে ৪৪৪ দিন অবরুদ্ধ করে রাখেন বিপ্লবী জনগণ। এর ফলে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় ইরানের। সেই থেকে বিভিন্ন বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রাখে ইরানের উপর।
নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পাশাপাশি ইরানের ১৮টি বিমানের ইঞ্জিন পরীক্ষা করে দেখার অনুমতি দিয়েছে জেনারেল ইলেকট্রিককে। এসব ইঞ্জিন ১৯৭০'র দশকে ইরানের কাছে বিক্রি করেছিল মার্কিন বিমান নির্মাতা কোম্পানি বোয়িং। সূত্র: বিবিসি
[b]ঢাকা, ০৫ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি) //এমএ[/b]
৩৫ বছর পর ইরানে বিমানের যন্ত্রাংশ বিক্রি শুরু
বিখ্যাত বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান 'বোয়িং'কে ইরানের কাছে বিমানের যন্ত্রাংশ বিক্রির অনুমতি দিয়েছে আমেরিকা। ফলে, ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পর এই প্রথম বিমানের যন্ত্রাংশ বিক্রি করতে যাচ্ছে বোয়িং। শনিবার এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।
ইরানে নতুন হামলার তারিখ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার সম্ভাবনা সামনে রেখে উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ৪ নভেম্বর, অর্থাৎ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরদিন ইরানে স্বল্পস্থায়ী কিন্তু তীব্র হামলা চালানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন উপসাগরীয় অঞ্চলের তিনজন জ্যেষ্ঠ আরব কর্মকর্তা। তবে এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ল
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে নিহত সেনাসদস্যের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে আরও দুই সেনাসদস্যের মৃত্যুর তথ্য যুক্ত করেছে পেন্টাগন। তবে তাঁদের মৃত্যু যুদ্ধের সরাসরি সংঘাতের কারণে হয়নি। আট মাসেরও বেশি সময় পর হতাহতের এই হালনাগাদ হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে।
ইরানের শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নয়: গালিবাফ
ইরানের দেওয়া সাতটি শর্ত মেনে না নিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা এগোবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের চাপ কিংবা প্রলোভনে তেহরান নতি স্বীকার করবে না। আলোচনায় অগ্রগতির জন্য ইরানের শর্তগুলো মেনে নেওয়াই একমাত্র পথ।
ইরানের ২ বিলিয়ন ডলারের গোপন সামরিক নেটওয়ার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সামরিক সরঞ্জাম আমদানির জন্য পাঁচ হাজারের বেশি সংস্থার একটি গোপন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইরান। এসব সংস্থার মাধ্যমে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অন্তত ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম, বিস্ফোরক ও ভারি ট্রাক আমদানি করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে এ তথ্য উঠে এসেছে।
শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান: আইআরজিসি
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত পুরোপুরি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীটির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেছেন, প্রণালিটি বর্তমানে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।













