আমি হিন্দু হতে পেরে গর্বিত। তবে নিজেকে সর্বপ্রথম ভারতীয় ভাবতেই বেশি পছন্দ করি বলে জানিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী নরেন্দ্র মোদি।
ভারতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রবিবার মোদি এ কথা বলেন।
মোদি বলেন, ‘আমি বিশ্বাসের দিক দিয়ে হিন্দু এবং এই বিশ্বাস ধারণ করতে পেরে আমি গর্বিত। তবে আমি আমার দেশকে ভালোবাসি। আমি আমাকে দেশ প্রেমিক বলা যেতে পারে।’
কয়েকমাস আগে আরেকটি সাক্ষাৎকারে নরেন্দ্র মোদি নিজেকে হিন্দু জাতীয়তাবাদী বলেছিলেন।
সেই সাক্ষাৎকারের জের ধরে ‘হিন্দু জাতীয়তাবাদী’র ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে মোদি এসব কথা বলেন।
এ সময় কংগ্রেসের সমালোচনা করে মোদি বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতার আশ্রয়ে লুকিয়ে থেকেও তারা রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়েছে।
মোদি আরও বলেন, কংগ্রেস অস্তিত্বের জন্য লড়াই করে যাচ্ছে। এমনকি চলমান লোকসভা নির্বাচনে ৩৪৯টি আসনের মধ্যে একশ’টি আসন পাওয়াও কংগ্রেসের জন্য কষ্টসাধ্য বলে জানান তিনি। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
[b]ঢাকা, ২৮ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // এসএইচ[/b]
হিন্দু হতে পেরে গর্বিত: মোদি
আমি হিন্দু হতে পেরে গর্বিত। তবে নিজেকে সর্বপ্রথম ভারতীয় ভাবতেই বেশি পছন্দ করি বলে জানিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে
হিন্দুদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস জামায়াত আমিরের
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য ও বঞ্চনার কথা শুনে সেগুলো সমাধানে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সরকার ও বিরোধী দল সম্মিলিতভাবে তাদের সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
‘কোনো হিন্দু যদি বলে ভারতে মুসলিমদের স্থান নেই, সে আসলে হিন্দুই না’
ভারতের উগ্রহিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের প্রধান মোহন বাঘাওয়াত বলেছেন, ভারতের কোনো হিন্দু যদি মনে করেন ভারতে মুসলিমরা থাকতে পারবে না, তাহলে সেই ব্যক্তিই আর হিন্দু থাকবেন না। তিনি ধর্মচ্যুত হয়ে যাবেন।
শুভেন্দু মনে করিয়ে দিলেন প্রতিবেশী হিন্দুরা ভারতে আশ্রয় পাবেন, মুসলিমরা নয়
ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের (সিএএ) সূত্র ধরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘প্রতিবেশী দেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ অনুপ্রবেশকারী নন। তারা শরণার্থী।’ এ আইনে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টানদের শরণার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হলেও মুসলিমদের কথা বাদ দেওয়া হয়েছে।
















