তুরস্কের ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেন সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।এই অভ্যুত্থানের সঙ্গে তাঁকে জড়ানোয় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

এর আগে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান অভ্যুত্থানের পেছনে গুলেনের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন।গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে গুলেন এক বিবৃতিতে বলেন, এই সেনা অভ্যুত্থানের সঙ্গে তাঁকে জড়িত করার চেষ্টা খুব অপমানজনক। তিনি বলেন, সরকারকে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জয়লাভ করতে হবে; শক্তি দিয়ে নয়।

গুলেন বলেন, তিনি তুরস্কের জনগণের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছেন। তুরস্ক যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ও দ্রুত এই কঠিন সময় পার হতে পারে, এ জন্য প্রার্থনা করছেন।গুলেন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া রাজ্যের ফোকোনো পাহাড়ি এলাকার ছোট একটি শহরে বাস করেন।

৭৫ বছর বয়সী গুলেন একসময় এরদোগানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক কয়েক বছরে দুজনের বন্ধুত্বে চিড় ধরে। এরদোগান গুলেনের হিজমত আন্দোলন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তুর্কি সমাজ, গণমাধ্যম, পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থায় গুলেনের শক্তিশালী উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করার অভিযোগ ওঠার পর ১৯৯৯ সালে গুলেন যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছানির্বাসনে চলে যান।

এর আগে তুরস্কের ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেন ও তাঁর অনুসারীদের সংগঠন গুলেন গ্রুপকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। তাঁর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছানির্বাসনে থাকা গুলেন ও তাঁর অনুসারীরা তুরস্কের সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

জেড