বৃহস্পতিবার সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে আদালতের প্রধান বিচারক ফখর আল-দিন আল-আরিয়ান এ তথ্য জানান।
বিচারক আল-আরিয়ান বলেন, ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব থেকে মাঠপর্যায়ে অপরাধ সংঘটনকারীদের কাছে পাঠানো নির্দেশ এবং সামরিক ও প্রশাসনিক কমান্ড কাঠামোর মধ্য দিয়ে বাশার আল-আসাদের দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠার মতো প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় দিয়েছেন।
মাঠপর্যায়ে অপরাধ সংঘটনকারীদের কাছে সরাসরি নির্দেশ পাঠানোর সঙ্গে আসাদের সম্পৃক্ততা-সংক্রান্ত নথিও পর্যালোচনা করেছে আদালত।
বিচারক আরও বলেন, কেবল প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের কারণে আসাদকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি; বরং অপরাধে তাঁর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১১ আগস্ট একই আদালত বাশার আল-আসাদ, তাঁর ভাই মাহের আল-আসাদ এবং পলাতক আরও সাত কর্মকর্তাকে তাঁদের অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই মামলায় দারা প্রদেশের সাবেক রাজনৈতিক নিরাপত্তা শাখার প্রধান আতেফ নাজিবকে আদালতে উপস্থিত অবস্থায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
২০১১ সালে সিরিয়ার দারা প্রদেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এসব অপরাধের মধ্যে রয়েছে হত্যা, নির্যাতন, বেআইনি আটক, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধ।
আদালতের আগস্টের রায়টি ৩৯৬ পৃষ্ঠার একটি বিচারিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছিল। এতে অপরাধের বিবরণ, বিভিন্ন প্রমাণ এবং সিরিয়ার বিপ্লবের শুরুর দিকে দারা প্রদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি তুলে ধরা হয়।
এ ছাড়া সিদ্ধান্তে ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের জবানবন্দিও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এস
















